kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

বই আনতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার, ৯ মাস পর সন্তান প্রসব

দুর্গাপুর (রাজশাহী) প্রতিনিধি    

৮ নভেম্বর, ২০১৯ ১৭:১৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বই আনতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার, ৯ মাস পর সন্তান প্রসব

দুর্গাপুরে ধর্ষণের শিকার হয়ে (১৪) বছরের এক মাদরাসাছাত্রী সন্তান প্রসব করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই কিশোরী বাবার বাড়িতে সন্তান প্রসব করে। পরে খবর পেয়ে রাত ৮টার দিকে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খুরশীদা বানু কনা ওই কিশোরী ও তার সন্তানকে উদ্ধার করে দুর্গাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে সেখান থেকে শুক্রবার ওই কিশোরীকে ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়। এ ঘটনায় ধর্ষণের অভিযোগে দুর্গাপুর থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

এ দিকে ঘটনার পর থেকেই ধর্ষণে অভিযুক্ত সজীব আহম্মেদ বাড়ি ছেড়ে পলাতক রয়েছেন। সজীব একই গ্রামের আবু সাইদের ছেলে। তারা দু’জনই একই মাদরাসার নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎধীন ওই কিশোরী জানান, তার সঙ্গে একই গ্রামের সজিব নামের এক ছেলে নবম শ্রেণিতে পড়ত। একই ক্লাসে পড়াশোনার সুবাদে প্রায় ৯ মাস আগে সজীবের বাড়িতে গাইড বই আনতে যায় ওই কিশোরী। এ সময় সজিব বাড়ি ফাঁকা পেয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে ওই কিশোরী কাউকে না জানিয়ে ভয়ে বাড়ি চলে আসে। এরপর অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে ওই কিশোরী নিজ বাড়িতে এক পুত্র সন্তান প্রসব করে। ঘটনা টের পেয়ে সজিব বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। তবে অভিযুক্ত সজিবের পরিবার দাবি অন্যের দায় সজিবের ওপরে জোর করে চাপিয়ে দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। 

দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খুরশীদা বানু কনা জানান, ধর্ষণের শিকার হয়ে সন্তান প্রসব করা ওই কিশোরীকে সন্তানসহ উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তদন্তের স্বার্থে শুক্রবার ওই কিশোরীকে সন্তানসহ ওসিসিতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় ধর্ষণ মামলা হবে বলে জানান ওসি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা