kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

পঞ্চগড়ে মিনিবাস-অটো সংঘর্ষ, নিহত ৭

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৮ নভেম্বর, ২০১৯ ১৫:২১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পঞ্চগড়ে মিনিবাস-অটো সংঘর্ষ, নিহত ৭

পঞ্চগড়ে যাত্রীবাহী মিনিবাস এবং ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত সাত জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। পঞ্চগড়–তেতুলিয়া মহাসড়কের মাগুরমাড়ি চৌরাস্তায় শুক্রবার বেলা দেড়টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। দুর্ঘটনার পর বিক্ষুদ্ধ জনতা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। 

নিহতরা হলেন, পঞ্চগড় সদর উপজেলার পঞ্চগড় সদর ইউনিয়নের সুরিভিটা এলাকার আকবর আলী (৭০) ও তার স্ত্রী নুরিমা বেগম (৫৫), তেঁতুলিয়া উপজেলা শালবাহান মাঝিপাড়া এলাকার লাবু ইসলাম (২৯) তার নববধূ মুক্তি (১৯), পঞ্চগড় সদর উপজেলার অমরখানা ইউনিয়নের চেকরমারি এলাকার ইজিবাইক চালক রফিক (২৮), একই উপজেলার সাতমেরা ইউনিয়নের রায়পাড়া এলাকার ফরহাদ হোসেন মাকুদ (৪৫) ও সাতমেরা ইউনিয়নের সাহেবজোত এলাকার আকবর আলীর স্ত্রী নার্গিস আক্তার (৪২)।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, পঞ্চগড় জেলা শহর থেকে কাজী ব্রাদার্সের একটি যাত্রীবাহী বাস তেঁতুলিয়া যাচ্ছিল। মাগুরমারি এলাকায় একটি ছাগলকে পাশ কাটাতে গিয়ে বাসটি বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ইজিবাইককে ধাক্কা দিলে ইজিবাইকটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ইজিবাইকের মধ্যে থাকা দুই দম্পত্তিসহ পাঁচ জন নিহত হন। এছাড়া গুরুতর আহত অবস্থায় পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় আরো দু’জন মারা যান। ঘটনার পর স্থানীয়রা প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন এবং বিক্ষোভ করেন। পরে পঞ্চগড় পুলিশ সুপার ইউসুফ আলী ও জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিন ঘটনাস্থলে গিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়। এছাড়া জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। 

পঞ্চগড় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইউসুফ আলী বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় সাত জন নিহত হয়েছেন। বাস চালককে আটক করা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। 

পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, সড়ক দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিন কর্ম দিবসের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন দিতে বলেছি। নিহতদের প্রতি পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে তাৎক্ষণিক অর্থসহায়তা দেওয়া হয়েছে। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা