kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

নবীনগরে খাস জায়গা দখল নিয়ে তুমুল উত্তেজনা

আজ দু'পক্ষকেই তলব করেছেন ইউএনও

নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি   

২৪ অক্টোবর, ২০১৯ ১০:২০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নবীনগরে খাস জায়গা দখল নিয়ে তুমুল উত্তেজনা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বিদ্যাকুট ইউনিয়নের মেরকুটা বাজারে সরকারি একটি খাস জায়গার দখল নিয়ে দু'পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিষয়টির প্রতিকার চেয়ে ইতোমধ্যে এক পক্ষ নবীনগরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন করায় দু'পক্ষকেই আজ ইউএনওর কার্যালয়ে তলব করা হয়েছে। বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় বিদ্যাকুট ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তা জাবেদ হোসেন।

সরজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায়, ওই এলাকার সেমন্তঘর গ্রামের হামদু মিয়ার ছেলে প্রতিবন্ধী ইকবাল হোসাইন মেরকুটা বাজারেরিব্রীজ সংলগ্ন ওই সরকারি খাস জায়গায় দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে একটি ছাপড়া ঘর তুলে মুরগীর ব্যবসা করছিলেন।

কিন্তু গত সোমবার রাতের আঁধারে মূল্যবান জায়গাটি দখলে নেয়ার জন্য এলাকার মেরকুটা গ্রামের দানেছ মেম্বার ও গঙ্গানগর গ্রামের বাবুল মিয়া ওই মুরগীর ছাপড়াটি ভেঙে সেখানে একটি টিনের ঘর তোলেন। এ নিয়ে দু'পক্ষের মধ্যে এখন উত্তেজনা বিরাজ করছে। রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের সম্ভাবনা আছে বলেও স্থানীয়রা মনে করছেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, মেরকুটা গ্রামের এক প্রভাশালী আওয়ামী লীগ নেতার সহযোগিতায় সেখানে দানেছ ও বাবুল গং সরকারি ওই খাস জায়গায় টিনের ঘরটি তোলেন।

এ প্রসঙ্গে বাবুল মিয়া বলেন, এলাকার সাহেব সর্দারদের পরামর্শে ইকবালকে নগদ ১৭ হাজার টাকা দিয়ে আমি সেখানে টিনের ঘর তুলেছি।

তবে প্রতিবন্ধী ইকবাল হোসাইন বলেন, 'আমাকে টাকা দিতে চেয়েছিলো। কিন্তু আমি টাকা নিইনি। কারণ, জায়গাটা না থাকলে, ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবে। তখন আমার ছেলে মেয়ে না খেয়ে থাকবে।'

নবীনগরের ইউএনও মোহাম্মদ মাসুম কালের কণ্ঠকে বলেন, 'দু'পক্ষকেই আজ (বৃহস্পতিবার) আমার দপ্তরে ডেকেছি। উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে ব্যবস্থা নেব।'

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা