kalerkantho

শনিবার । ১৬ নভেম্বর ২০১৯। ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন হত্যাকারীরা রেহাই পাবে না : নুসরাতের বড় ভাই

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৪ অক্টোবর, ২০১৯ ১০:০৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন হত্যাকারীরা রেহাই পাবে না : নুসরাতের বড় ভাই

ফেনীর সোনাগাজীতে মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহার রাফিকে পুড়িয়ে হত্যার রায় আজ হত্যাকাণ্ডের ছয় মাস ১৭ দিনের মাথায় ঘোষণা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণার কিছুক্ষণ আগে সকালে এ মামলার বাদী নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান গণমাধ্যমকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চেয়েছেন বলেই এত দ্রুত সময়ের মধ্যে রায় দেওয়া সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি জানাবো রায় যেমনিভাবে দ্রুত সময়ে হচ্ছে, তেমনিভাবে কার্যকরটাও যেন দ্রুত হয়।

বড় ভাই নোমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের পরিবারের পাশে ছিলেন বলেই আমরা এখনো টিকে আছি। তিনি নিজে আমাদের পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি জানাবো রায় যেমনিভাবে দ্রুত সময়ে হচ্ছে, তেমনিভাবে কার্যকরটাও যেন দ্রুত হয়।

চলিত বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাত মারা যাওয়ার পর ১৫ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার কার্যালয়ে দেখা করেন নুসরাতের পরিবার। এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ফেনীর সোনাগাজীতে মাদ্রাসার ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির হত্যাকারীরা রেহাই পাবে না।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছিলেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহসিকতার সঙ্গে প্রতিবাদ করে নুসরাত এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

এ মামলায় পরে জবানবন্দি থেকে জানা যায়, নুসরাতকে যৌন নিপীড়নের মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে জেলহাজতে থাকা অবস্থায় ওই শিক্ষার্থীকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন অধ্যক্ষ (বর্তমানে বরখাস্ত) এস এম সিরাজ উদ দৌলা। দুই অনুগত ছাত্র নুর উদ্দিন ও শাহাদাত হোসেন শামীম জেলখানায় সিরাজের সঙ্গে দেখা করতে গেলে তিনি নুসরাতকে চাপ দিয়ে মামলা প্রত্যাহার করাতে বলেন। এতে কাজ না হলে তাকে পুড়িয়ে হত্যার পর ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে চালানোর নির্দেশনাও দেন তিনি।

গত ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে তার মায়ের দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাকে। পরে ৬ এপ্রিল ওই মাদরাসাকেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে গেলে নুসরাতকে মাদরাসার প্রশাসনিক ভবন কাম সাইক্লোন শেল্টারের ছাদে ডেকে নিয়ে গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। ১০ এপ্রিল ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা