kalerkantho

বুধবার । ২০ নভেম্বর ২০১৯। ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

দৌলতদিয়া পতিতাপল্লী

যৌনকর্মীর কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড খদ্দেরের

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি   

২৩ অক্টোবর, ২০১৯ ১৭:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



যৌনকর্মীর কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড খদ্দেরের

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া পতিতাপল্লী। ওই পল্লীর বাড়িওয়ালা হাসেম ফকিরের ভাড়াটিয়া যৌনকর্মী বৃষ্টি আক্তার (২০)। খুলনার রূপসা থানার রহিমনগর কলোনীর বাসিন্দা আলী নূর সরদারের ছেলে মৃদুল হাসান (২৫)।

গতকাল মঙ্গলবার রাতে বিনোদন করতে দৌলতদিয়া পতিতাপল্লীতে যায় মৃদুল। পরে দেড় হাজার টাকা চুক্তি মিটিয়ে যৌনকর্মী বৃষ্টির ঘরে যায় খদ্দের মৃদুল হাসান। তখন তার কাছে আরো পাঁচ শ টাকা দাবি করে ওই যৌনকর্মী।

সব মিলিয়ে দুই হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পর যৌনকর্মী বৃষ্টি খদ্দের মৃদুলের সঙ্গে বিনোদন করতে অস্বীকৃতি জানায়। তখন খদ্দের মৃদুল ওই দুই হাজার টাকা ফেরত চায়। এতে যৌনকর্মী বৃষ্টি মৃদুলের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এক পর্যায়ে তাদের দুজনের মধ্যে হাতাহাতি চলতে থাকে।

এমন সময় খবর পেয়ে ওই পল্লীতে কর্তব্যরত গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে খদ্দের মৃদুল হাসান ও যৌনকর্মী বৃষ্টি আক্তারকে আটক করে।

আজ বুধবার দুপুরে তাদের দুজনকে গোয়ালন্দ উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুল্লাহ আল-মামুনের নেতৃত্বে গঠিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে তোলা হয়। এ সময় অপরাধ স্বীকার করলে যৌনকর্মী বৃষ্টি আক্তারকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও খদ্দের মৃদুল হাসানকে পাঁচ শ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন ওই ভ্রাম্যমাণ আদালত।

গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল তায়াবীর এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা