kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

জয়পুরহাট

নাশকতার মামলায় জামায়াত-শিবিরের ৬১ নেতাকর্মী জেলে

জয়পুরহাট প্রতিনিধি   

২৩ অক্টোবর, ২০১৯ ০৩:৪৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নাশকতার মামলায় জামায়াত-শিবিরের ৬১ নেতাকর্মী জেলে

হত্যা ও নাশকতার মামলায় জয়পুরহাটে জামায়াত-শিবিরের ৬১ নেতাকর্মীকে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন আদালত। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে শুনানি শেষে অতিরিক্ত জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইকবাল বাহার তাঁদের জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

২০১৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর হত্যা ও নাশকতার অভিযোগে জয়পুরহাট সদর থানার তত্কালীন পরিদর্শক (তদন্ত) মমিনুল হক মামলাটি করেন। অধিকতর তদন্তের পর গত ২০ জুন পুলিশ পরিদর্শক কাউছার আলী  ৯৯ জন আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। 

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর হরতাল চলাকালে লুটপাট করার উদ্দেশ্যে জয়পুরহাটের পুরানাপৈল বাজারের কৃষি ব্যাংকে পেট্রল বোমা মারেন জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা। এ সময় বাধা দিতে গেলে তীর-ধনুক দিয়ে র্যাব-পুলিশের ওপর হামলা চালানো হয়। 

একপর্যায়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বাধা পেয়ে পিছু হটেন হরতালকারী জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা। পরে তাঁরা পুরানাপৈল ইউনিয়নের হালট্টি এলাকায় বেলালের মিল-চাতালে সমবেত হন। এরপর ওই এলাকার সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবারের ওপর হামলা চালানোর প্রস্তুতি নেওয়ার খবর পেয়ে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার, জয়পুরহাট সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফোর্সসহ সেখানে যান।

এ সময় জামায়াত-শিবিরের কয়েক শ নেতাকর্মী তীর-ধনুক নিয়ে ঘিরে ফেলে পুলিশের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং পেট্রল বোমা ছুড়তে থাকেন। একপর্যায়ে তাঁরা র্যাব-পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়িভাবে গুলি ছুড়লে সেই গুলিতেই জামায়াত-শিবিরের কয়েকজন নিহত হন। এ সময় আত্মরক্ষার্থে পুলিশ কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এ ঘটনায় জয়পুরহাট সদর থানায় পুলিশের পরিদর্শক মমিনুল হক বাদী হয়ে  ১০৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী মামুনুর রশিদ জানান, হত্যা ও নাশকতার মামলায় ৯৯ জন আসামির মধ্যে আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন ৬১ জন। তিনজন উচ্চ আদালতের জামিনে আছেন। আর দুজন মারা গেছেন। বাকি ৩৩ জন পলাতক আছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা