kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

জাবিতে শিবির নেতাসহ দুজন আটক

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

২২ অক্টোবর, ২০১৯ ২৩:৫৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



জাবিতে শিবির নেতাসহ দুজন আটক

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে এক শিবির নেতা ও তার এক সহচারীকে আটক করেছে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা। আটককৃতরা দুজনেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী। আটককৃতদের একজন সরকার ও রাজনীতি বিভাগের ৪১তম ব্যাচের সাদ শরীফ সরাসরি শিবিরের সঙ্গে যুক্ত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের চৌরঙ্গী এলাকা থেকে গোয়েন্দা সংস্থার সহয়তায় তাদেরকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন। আটককৃত অপরজন হলে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের নূরুল আমিন। তাদের দুজনের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলায়।

প্রক্টর অফিস সূত্রে জানা গেছে, 'বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলনের পূর্ব নির্ধারিত মশাল মিছিল কর্মচলাকালে তাদেরকে আটক করা হয়েছে। কর্মসূচিকে ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয়কে অস্থিতিশীল করার পরিকল্পানা ছিল তাদের।'

তাদের আটকের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান বলেন, ‘তারা যে শিবির করে তার পক্ষে যথেষ্ট তথ্য প্রমাণ তাদের কাছে পাওয়া গেছে। সাদ শরীফ শিবির করার কথা স্বীকার করেছে। অপরজন তার সহযোগী।

প্রক্টর বলেন, 'মশাল মিছিলে শিবির ও ছাত্রদল অংশ নেবে এমন তথ্যের ভিত্তিতে আমরা সারাদিন ক্যাম্পাস পর্যবেক্ষণ করতে থাকি। মিছিল চৌরঙ্গী আসলে তাদের দুজনকে গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে মোটরসাইকেলসহ আটক করি। আটকের পর তাদের মোবাইল ও হোয়াটসঅ্যাপে শিবির সংশ্লিষ্ট একাধিক তথ্য পাওয়া যায়।

চলমান আন্দোলনে কারা টাকা দেয় তার প্রমাণ মোবাইলে পাওয়া গেছে। এছাড়া কোন কোন শিক্ষক টাকা দেয় সে তথ্যও তাদের কাছে পাওয়া গেছে। বিদেশ থেকে তাদের সঙ্গে কারা কারা যোগাযোগ করে তারও প্রমাণ মিলেছে।

তিনি আরো বলেন, 'ভোলার ঘটনায় কিভাবে ক্যাম্পাসে আন্দোলন করা যায় তারও কথোপকথন তাদের কাছে আছে। এছাড়া তাদের কাছে সেক্টর কমান্ডারসহ কোন কোন সাথী তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তারও একটি তালিকা পাওয়া গেছে। তারা সাভারের একটি কোচিংয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলেও তথ্য পাওয়া গেছে।'

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাদ শরীফ কালের কণ্ঠকে বলেন, 'আমি কোনো সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নই। চৌরঙ্গী এলাকা থেকে কয়েকজন শিক্ষক আমাদের আটক করেন। ক্যাম্পাসের আন্দোলনের সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই।'

আটকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর আশুলিয়া থানায় মামলা করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এদিকে শিক্ষার্থীদের এ আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে প্রশাসন এই অভিযোগে আন্দোলনকারী রাতেই প্রক্টর অফিসে এসে জানতে চাইলে সেখানে মুখোমুখি অবস্থানে উতপ্ত পকিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা প্রক্টর অফিসকে ঘিরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা