kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

বিশ্বনাথে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু

বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি   

২২ অক্টোবর, ২০১৯ ২২:৩৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিশ্বনাথে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু

নিহত হাফিজুর রহমান

সিলেটের বিশ্বনাথে সিলেট-ছাতক রেলপথে ট্রেনে কাটা পড়ে হাফিজুর রহমান (৭৫) নামের এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। তিনি সুনামগঞ্জ জেলার বিসম্ভরপুর থানার ধনপুর গ্রামের বাসিন্দা। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় উপজেলার খাজাঞ্চী ইউনিয়নের ঘাসিগাঁও গ্রামের সিলেট-ছাতক রেলপথে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

এ সময় হাবিব মিয়া (১৫) নামে এক কিশোর আহত হয়েছে। সে স্থানীয় রহিমপুর গ্রামের ইয়াকুব আলীর ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলার খাজাঞ্চী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তালুকদার গিয়াস উদ্দিন বলেন, বিষয়টি থানা পুলিশ ও সিলেট রেলওয়ে পুলিশকে (জিআরপি থানা) অবহিত করা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ ছুটে আসে।

নিহতের নাতি বিশ্বনাথ উপজেলার রাজনগর গ্রামের দিলোয়ার হোসেন জানান, নিহত মাওলানা হাফিজুর রহমান কিছু দিন ধরে মানষিকভাবে ভারসাম্যহীন। তিনি কারো সঙ্গে কোনো কথা বলেন না। গতকাল সোমবার দুপুরে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পরিবারের সদস্যরা তার সন্ধানে লামাকাজী পয়েন্টে এসে জানতে পারেন তাকে স্থানীয় লোকজন গত সোমবার বিকেলে বিশ্বনাথের লামাকাজী পয়েন্টে দেখেছেন। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় সিলেট-ছাতক রেল লাইন দিয়ে হাটার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত হন মাওলানা হাফিজুর রহমান। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তার পরিচয় শনাক্ত করেন।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় ওই বৃদ্ধ রেল লাইন দিয়ে হাটছিলেন। ছাতক থেকে সিলেটগামী ট্রেনটি বিশ্বনাথের ঘাসিগাঁও এলাকায় ওই বৃদ্ধের কাছাকাছি পৌঁছালেও তিনি রেল লাইন থেকে সরছিলেন না। তখন ট্রেনের ইঞ্জিনে থাকা যাত্রী হাবিব পা দিয়ে ওই বৃদ্ধকে সরানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়।

এ সময় ট্রেনের চাকায় পৃষ্ট হয়ে দ্বিখণ্ডিত হয়ে যান ওই পথচারী বৃদ্ধ। নিহত বৃদ্ধকে বাঁচানোর চেষ্টা করতে গিয়ে পায়ে গুরুতর আঘাত প্রাপ্ত হাবিবকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে বিশ্বনাথ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

এ ব্যাপারে সিলেট রেলওয়ে পুলিশের (জিআরপি থানা) অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবদুস সাত্তার বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা