kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

মৌসুমি জেলেদের 'আতঙ্ক’ এনডিসি বশির গাজী

ঝালকাঠি প্রতিনিধি   

২২ অক্টোবর, ২০১৯ ১৬:০১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মৌসুমি জেলেদের 'আতঙ্ক’ এনডিসি বশির গাজী

সরকারের নিষেধাজ্ঞার সময় সুগন্ধা নদীতে ইলিশ শিকারে নামে মৌসুমি জেলেরা। প্রায় শতাধিক পয়েন্টে তাদের দৌরত্ম্য দেখা যায়। দিন-রাত সুযোগ পেলেই তারা ছোট ছোট নৌকায় করে কারেন্ট জাল নিয়ে নেমে পড়ে নদীতে। কিন্তু এ বছর এসব মৌসুমি জেলেদের 'আতঙ্ক' হয়ে দাঁড়িয়েছেন ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট  ও এনডিসি মো. বশির গাজী। রাত জেগে নদী পাহারা, দিনের বেলায় একাধিক অভিযানে সফল হয়েছেন তিনি। নদী থেকে জেলেদের আটক করে সাজা ও জরিমানা করেছেন এ কর্মকর্তা। তাঁর কর্মদক্ষতার কারণে নদী থেকে মাছ ধরার নৌকা ও কারেন্ট জালও উদ্ধার করা হয়েছে। গত ৯ অক্টোবর থেকে তিনি সুগন্ধা নদীতে বিচরণ করেছেন স্পিডবোটে। কখনো নৌকায় চড়েও অভিযান চালিয়েছেন। জনবল সংকটের কারনে তিনি নিজেই নদী থেকে জাল টেনে তুলেছেন। নদীতীরে জেলেদের ঘরে ঘরে গিয়ে জাল উদ্ধারেও তার ভূমিকা ছিল দারুণ। 

অভিযানের সময় কোনো সুপারিশও শুনছেন না তিনি। তাঁর অভিযানের কারণে এ বছর নদীতে মা ইলিশ নিরাপদে ডিম ছাড়তে পারছে বলেও প্রশংসায় ভাসছেন তিনি। সুগন্ধা নদীতে ইলিশ শিকারে নামা মৌসুমি জেলেদের মাঝে এখন একটাই আতঙ্ক নির্বাহী ম্যাজিস্টেট বশির গাজী। 

ঝালকাঠিতে মা ইলিশ রক্ষার অভিযানে এ পর্যন্ত দুই লাখ মিটার কারেন্ট জাল, ২০০ কেজি ইলিশ, ২৫টি মাছ ধরার নৌকা জব্দ করা হয়েছে। এসব ঘটনায় ১৫ জেলেকে কারাদণ্ড ও ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। মামলা হয়েছে ১৮টি। 

এনডিসি মো. বশির গাজী বলেন, জেলা মৎস্য বিভাগের উদ্যোগে প্রতিদিনই নদীতে অভিযান চলছে। জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলীর নির্দেশে আমি দিন-রাত নদীতে নেমে অভিযান করছি। জেলেরা অভিযানের কারণে মাছ ধরতে নামতে পারছে না। এ অভিযান আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা