kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

মানহানি মামলায় খালাস পেলেন কালের কণ্ঠের সম্পাদকসহ ৪ জন

মাদারীপুর প্রতিনিধি   

২১ অক্টোবর, ২০১৯ ১৬:৩৫ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



মানহানি মামলায় খালাস পেলেন কালের কণ্ঠের সম্পাদকসহ ৪ জন

মাদারীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজল কৃষ্ণ দের দায়ের করা ৫ কোটি টাকার মানহানি মামলায় বেকসুর খালাস পেলেন দৈনিক কালের কণ্ঠের সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, স্টাফ রিপোর্টার তৈমুল ফারুক তুষার ও হায়দার আলী এবং মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি আয়শা সিদ্দিকা আকাশী।

সোমবার দুপুরে মামলার রায় দেন মাদারীপুরের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মোহাম্মদ হোসেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দৈনিক কালের কণ্ঠ পত্রিকায় ২০১৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ‘জেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা আখের গোছানোয় মগ্ন’ শিরোনামে সংবাদ ছাপা হয়। সেখানে মাদারীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহাবুদ্দিন মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক কাজল কৃষ্ণ দের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়। এরই জের ধরে মাদারীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজল কৃষ্ণ দে বাদী হয়ে কালের কণ্ঠের সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, স্টাফ রিপোর্টার তৈয়মুর ফারুক তুষার ও হায়দার আলী এবং মাদারীপুর প্রতিনিধি আয়শা সিদ্দিকা আকাশীকে আসামি করে পাঁচ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করে মানহানি মামলা দায়ের করেন।

সেই মামলায় দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে সোমবার দুপুরে মাদারীপুরের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মোহাম্মদ হোসেন দৈনিক কালের কণ্ঠের সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, স্টাফ রির্পোটর তৈমুর ফারুক তুষার ও হায়দার আলী এবং মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি আয়শা সিদ্দিকা আকাশীকে বেকসুর খালাস দেন।

এ ব্যাপারে মামলার আসামি পক্ষের আইনজীবী রেজাউল করিম বলেন, এই মামলায় আনিত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় বিজ্ঞ আদালত দৈনিক কালের কণ্ঠের সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলনসহ ৪ জনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন। মামলার বাদী কাজল কাজল কৃষ্ণ দে এই সরকার ক্ষমতায় আসার পর অঢেল সম্পত্তির মালিক হয়েছেন। তিনি ময়দার মিলের মালিক হয়েছেন, ৫ তলা বাড়ির মালিক হয়েছেন। তাছাড়া তার বিরুদ্ধে কালের কণ্ঠ পত্রিকায় প্রকাশিত বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির সংবাদের এই তথ্যগুলো এই পত্রিকায় ছাপার অনেক আগেই বিভিন্ন সনামধণ্য জাতীয় দৈনিকে ছাপা হয়েছে। তাই তার সম্মান যদি ক্ষুণ্ণ হয়ে থাকে, তাহলে কালের কণ্ঠে সংবাদ ছাপার আগেই তা হয়েছে। সেই সাথে এই সংবাদের সত্যতাও প্রমাণিত হয়েছে। তাই এই রায়ের মাধ্যমে আমরা সঠিক ও ন্যায় বিচার পেয়েছি।

মাদারীপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি শাহজাহান খান ও সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবীর বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে মিডিয়ার জয় হলো, সত্যের জয় হলো। এ জন্য আদালতকে ধন্যবাদ জানাই।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা