kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

প্রতিমা ভাঙচুরকালে হাতেনাতে আটক যুবক, পুলিশে সোপর্দ

নাজিরপুর (পিরোজপুর) প্রতিনিধি   

২০ অক্টোবর, ২০১৯ ২০:১৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রতিমা ভাঙচুরকালে হাতেনাতে আটক যুবক, পুলিশে সোপর্দ

পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলায় একই দিনে তিনটি মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুরের অভিযোগে স্থানীয়রা হাতেনাতে কামরুল ইসলাম সুজন (৩০) নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশে সোর্পদ করেছে। সুজন স্বরূপকাঠি উপজেলার রাজাবাড়ী গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে।

আজ রবিবার ভোর পৌনে ছয়টা থেকে সাড়ে ছয়টার মধ্যে উপজেলার কলারদোয়ানিয়া গ্রামের শ্রী রাধা গোবিন্দ সেবাশ্রম ও কালী মন্দির, কলারদোয়ানিয়া বাজার সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, বাজার সংলগ্ন অধির রঞ্জন মল্লিকের বাড়ির শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জেলা পুলিশ সুপার হায়াতুল ইসলাম খান ও নাজিরপুর থানার ওসি মুনিরুল ইসলাম মুনির।

গৃহবধূ গৌরী মল্লিক জানান, তিনি ভোরবেলা শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ মন্দিরের দরজার তালা খুলে রেখে পূজা দেওয়ার জন্য ফুল তুলতে যান। কিছুক্ষণ পর এসে দেখেন পাঞ্জাবী পরা, মাথায় টুপি, মুখে দাড়িওয়ালা এক লোক বের হয়ে যাচ্ছে। তখন তিনি বিষয়টি বুঝতে পারেননি। মন্দিরে ঢুকে দেখেন মন্দিরের সকল প্রতিমা ভাঙা। এর কিছু সময় পরে জানতে পারি একই গ্রামের আরেকটি মন্দিরে ঢুকে প্রতিমা ভাঙচুরের সময় লোকজন তাকে আটক করেছে। আমি সেখানে গিয়ে তাকে চিনতে পারি।

ওই গ্রামের উজ্জল মল্লিক জানান, তার কাকীমার চিৎকার শুনে কয়েকজন এসে মন্দিরের ভেতরে প্রতিমা ভাঙচুর করার সময় কামরুল ইসলাম সুজনকে হাতেনাতে ধরে ফেলি।

বৈঠাকাটা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই অনুপ কুমার মণ্ডল জানান, রবিবার ভোর পৌনে ছয়টা থেকে সাড়ে ছয়টার মধ্যে একই এলাকার তিনটি মন্দিরে ঢুকে প্রতিমা ভাঙচুর করেছে কামরুল সুজন। এ সময় আশপাশের লোকজন দেখতে পেয়ে তাকে হাতেনাতে ধরে বৈঠাকাটা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে প্রতিমা ভাঙচুরের কথা স্বীকার করেছে।

নাজিরপুর থানার ওসি মো. মুনিরুল ইসলাম মুনির জানান, ঘটনার সংবাদ পেয়ে তিনি পুলিশ সুপারসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। আটক কামরুল ইসলাম সুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা