kalerkantho

বুধবার । ২০ নভেম্বর ২০১৯। ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

নড়াইলে পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ

নড়াইল প্রতিনিধি   

২০ অক্টোবর, ২০১৯ ২০:০২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নড়াইলে পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ

নড়াইলের কালিয়ার পেড়লী পুলিশ ফাঁড়ির টু-আইসি এএসআই মো. লিটনের বিরুদ্ধে নিরাপরাধ  মানুষকে ফাঁড়িতে আটকে মানসিক নির্যাতনসহ মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় একজন ভুক্তভোগী মো. দীন ইসলাম পুলিশ মহাপরিদর্শকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। তিনি উপজেলার পেড়লী গ্রামের ইকবাল শেখের ছেলে।

দীন ইসলামের অভিযোগের বিবরণে জানা যায়, কিছুদিন আগে তিনি খুলনায় ইজিবাইক চালাতেন। বর্তমানে তিনি অন্য পেশা খুঁজতে বাড়িতে আসেন। গত ১৪ অক্টোবর সকাল ১১টার দিকে এএসআই লিটনে ও তার সহযোগী সিপাহী মফিজ, দীন ইসলামকে তার বাড়ি থেকে আটক করে পেড়লী পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যায়। কোনো মামলা বা অভিযোগ ছাড়াই তাকে সেখানে আটকে রেখে নানাভাবে মামলার ভয়ভীতি দেখানো হয়। এক পর্যায়ে তাকে ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়া ও বাড়িতে নিরাপদে থাকার শর্ত দেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা। টাকা না পেয়ে রাতে তাকে ইয়াবার মামলা দিয়ে চালান দেওয়ার হুমকি দেন তিনি। এতে ভীত হয়ে ওইদিন রাত ১০টার দিকে দীন ইসলামের মা এএসআই লিটনের কাছে নগদ ৪ হাজার টাকা দিয়ে ও বাকি টাকা ১৫ দিনের মধ্যে দেবেন বলে ছেলেকে ছাড়িয়ে আনেন।

অভিযুক্ত পেড়লী পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মো. লিটন বলেন, ঐদিন দীন ইসলামকে অন্য একটি ঘটনার প্রেক্ষিতে আটক করা হয়েছিল। পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে অর্থ লেনদেন কিংবা ভয়ভীতি দেখানো এইসব কথাগুলো একেবারে মিথ্যা ও বানোয়াট।

অভিযোগের ব্যাপারে দীন ইসলাম বলেন, পুলিশের দাবির বাকি দেবার সামর্থ না থাকায় আমি অভিযোগ করতে বাধ্য হয়েছি। এই অভিযোগ করায় আমি বর্তমানে আতঙ্কে আছি। আগেই আমাকে আটক করে মাদকসহ বিভিন্ন মামলায় জড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

নড়াইলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিমউদ্দিন পিপিএম বলেন, ঘটনাটি আমার কাছে আসেনি। বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর নিচ্ছি। সঠিকভাবে তদন্ত করে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা