kalerkantho

বুধবার । ২০ নভেম্বর ২০১৯। ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ঘুরতে বের হয়ে আর ফিরে এলো না তালিম মল্লিক

বাগেরহাট প্রতিনিধি   

১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০৩:২৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঘুরতে বের হয়ে আর ফিরে এলো না তালিম মল্লিক

বাগেরহাটে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে বিরোধের জের ধরে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাগেরহাট খানজাহান (র.) মাজার গেটের কাছে ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। হত্যাকারীদের ধরতে পুলিশের একাধিক টিম বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালাচ্ছে।

নিহত তালিম মল্লিক (১৯) বাগেরহাট সদর উপজেলার সিংড়াই গ্রামের ইয়াছিন মল্লিকের ছেলে। তালিম মাদরাসায় পড়ালেখা শেষ করে ওয়ার্কশপে কাজ করত বলে পুলিশ জানায়।

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে তালিম তার বন্ধুদের সঙ্গে মাজার এলাকায় যায়। সেখানে বন্ধুদের নিয়ে চা খাওয়ার পর তালিম পার্শ্ববর্তী একটি দোকানে মোবাইল ফোনে টাকা রিচার্জ করতে যায়। এ সময় পেছন দিকে থেকে এসে তালিমের বুকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে বাগেরহাট সদর হাসপাতলে আনার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বাগেরহাটের পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায় জানান, তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে বিরোধের জের ধরে তালিমকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকারীদের ধরতে পুলিশের একাধিক টিম বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালাচ্ছে। শিগগিরই হত্যাকারীদের ধরে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে পুলিশ আশাবাদী।

নিহতের চাচা ইলিয়াস মল্লিক জানান, তার ভাইপো তালিম মাদরাসায় পড়ালেখা শেষ করে তার ভাইয়ের ওয়ার্কশপে কাজ করত। এলাকার সবাই তার ভাইপোকে ভালো মানুষ হিসেবে জানে। হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শ্বাস্তির দাবি জানান তিনি।

নিহতদের বাবা ইয়াছিন মল্লিক জানান, ছেলে তার বন্ধুদের নিয়ে মাজার এলাকায় ঘুরতে বের হয়ে আর ফিরে এলো না। ছুরি মেরে ছেলেকে হত্যা করে রাস্তার ওপর ফেলে রেখে যায়। হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি তার।

নিহত তালিমের বন্ধু শেখ নাহিদ জানান, মাজার এলাকায় তারা কয়েকজন বন্ধু মিলে কথা বলছিল। মোবাইল ফোনে রিচার্জের জন্য তালিম মাজার গেটের সামনে গেলে সেখানেই ছুরিকাঘাত করে তাকে হত্যা করা হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় তারা তালিমকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। 

বাগেরহাট সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক রাফিউল হাসান জানান, মৃত অবস্থায় তালিম নামে ওই যুবককে হাসপাতালে আনা হয়েছে। হাসপাতালে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা