kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ছাত্রকে বলাৎকার, মাদরাসা শিক্ষক আটক

ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি   

১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০১:২৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ছাত্রকে বলাৎকার, মাদরাসা শিক্ষক আটক

ধামরাইয়ে ছাত্র বলাৎকারের অভিযোগে আটক মাদরাসা শিক্ষক ইকবাল হোসেন। ছবি : কালের কণ্ঠ

ঢাকার ধামরাইয়ে এবার এক মাদরাসা ছাত্র বলাৎকারে শিকার হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় এ ঘটনায় অভিযুক্ত ধামরাই বাজারের মোহাম্মদী হাফিজিয়া ওয়ারিয়া মাদরাসা শিক্ষক ইকবাল হোসেনকে (২৫) আটক করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী। 

জানা গেছে, ধামরাই পৌর এলাকায় গত এক সপ্তাহে পাঁচ শিশু শিক্ষার্থী ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর গতকাল শুক্রবার বিকেলে ধামরাই বাজারের মোহাম্মদিয়া হাফিজিয়া ওয়ারিয়া মাদরাসার মক্তব বিভাগের লম্পট শিক্ষক ইকবাল হোসেন ওই মাদরাসারই দ্বিতীয় শ্রেণির এক ছাত্রকে তার কক্ষে ডেকে নিয়ে বলাৎকার করে। সন্ধ্যায় বিষয়টি ওই ছাত্র বাসায় গিয়ে তার পরিবারের কাছে শিক্ষকের এমন নোংরা কর্মকাণ্ড খুলে বলে। এরপরই স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় পরিবারের লোকজন ওই মাদরাসা শিক্ষককে আটক করে। পরে তাকে মাদরাসার ছাদে খুটির সঙ্গে বেঁধে রাখে। 

সরজমিনে গেলে স্থানীয় সাংবাদিকদের সামনেই আটক মাদরাসা শিক্ষক ইকবাল হোসেন ওই ছাত্রকে বলাৎকারের কথা স্বীকার করে সকলের কাছে ক্ষমা চান। আটক শিক্ষক ইকবাল হোসেন গাজীপুর জেলার জয়দেপুর থানার মাষ্টার বাড়ি গ্রামের জহিরুল ইসলামের ছেলে।

এ ব্যাপারে ওই মাদরাসার দেখভাল দায়িত্বে থাকা ইসরাফিল হোসেন বলেন, ইকবাল হোসেন এক মাস আগে তাদের মাদরাসায় মক্তব শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেছেন। এ বিষয়ে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। 

উল্লেখ্য, ধামরাই পৌর এলাকায় গত বৃহস্পতিবার টকলেট খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে তৃতীয় তলার ছাদে নিয়ে ছয় থেকে ৯ বছর বয়সী চার স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করে লম্পট আফসার উদ্দিন। এর একদিন পরই পাঁচ বছরের আরেক শিশুকে ধর্ষণ করে গোলাম মোস্তফা নামে এক সবজি বিক্রেতা। ওই পাঁচ শিশু ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারও করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার আবার পৌর এলাকায় এক মাদরাসার ছাত্র বলাৎকারের শিকার হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা