kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

নদীর এ কূল ভাঙে, ও কূল গড়ে ...

চাঁদপুর প্রতিনিধি   

১৮ অক্টোবর, ২০১৯ ২১:৪১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নদীর এ কূল ভাঙে, ও কূল গড়ে ...

এ কূল ভাঙে, ও কূল গড়ে এই তো নদীর খেলা। আর সেই খেলায় মানুষও যেন পাল্লা দিয়ে চলে। এ কূলের বাড়ি ভাঙার পর ওই কূলে নতুন বাড়ি গড়ে। নদীর ভাঙা-গড়ার সঙ্গে মিতালি করে বেঁচে থাকে চরাঞ্চলের বাসিন্দারা। সম্প্রতি প্রমত্তা পদ্মার ভয়াবহ ভাঙনের শিকার হয় চাঁদপুরে রাজরাজেশ্বরের চারটি বাজার। এমন ভাঙনের পর নদীর অপর প্রান্তে নতুন আরেকটি বাজার প্রতিষ্ঠা করেছেন দূর্গম চরাঞ্চলের বাসিন্দারা। তারা নতুন এই বাজারের নামকরণ করেছেন ‘দেওয়ান বাজার’।

আজ শুক্রবার দুপুরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং বিশিষ্টজনেরা ফিতা কেটে ও কবুতর উড়িয়ে উদ্বোধন করেন দেওয়ান বাজার। এতে চাঁদপুর ছাড়া পাশের শরীয়তপুরের জনপ্রতিনিধি এবং আশপাশের কয়েকটি চরের বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

তারাবুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ইউনুস আলী সরকারের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন, শরীয়তপুরের সখিপুর উপজেলার কাছিকাটা ইউপি চেয়ারম্যান মাস্টার আবুল হাসেম দেওয়ান, চাঁদপুর সদরের রাজরাজেশ্বর ইউপি চেয়ারম্যান হযরত আলী ব্যাপারি, সাবেক চেয়ারম্যান আবুল হোসেন প্রধানিয়া, বিশিষ্ট সমাজসেবক গনি দেওয়ান, আব্দুস সালাম দেওয়ান প্রমুখ।

নতুন বাজার উদ্বোধন শেষে চরের বাসিন্দারা বলেন, এই নিয়ে চারবার তারা পদ্মা নদী ভাঙনের শিকার হয়েছেন। এখন নতুন জেগে উঠা চরে আবার বাজারসহ বসতি স্থাপন করেছেন। এই জন্য সরকারের কাছে তারা প্রয়োজনীয় সহযোগিতা চান।

প্রসঙ্গত, চাঁদপুর ও শরীয়তপুর এই দুই জেলার সীমান্ত এলাকার পদ্মা নদীপারে নতুন করে জেগে উঠা চরে দেওয়ান বাজার প্রতিষ্ঠা করা হয়। এখন থেকে প্রতি শুক্র ও সোমবার দেওয়ান বাজারে সাপ্তাহিক বাজার বসবে। বাজারটি চালু হওয়ার ফলে চরাঞ্চলের অবহেলিত ও দরিদ্র মানুষের জন্য নিত্য পণ্য সামগ্রী ক্রয়-বিক্রয় করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এর আগে গত এক মাস আগে দুর্গমচর রাজরাজেশ্বরের চারটি বাজারসহ আশপাশের জনপদ পদ্মার ভয়াবহ ভাঙনের শিকার হয়। এমন পরিস্থিতিতে নদী ভাঙনের শিকার বাসিন্দারা পদ্মার অপর পারে আশ্রয় নেন এবং সেখানে দেওয়ান নামে নতুন বাজার চালু করেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা