kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

সীতাকুণ্ডে একজনকে হত্যা করে ফেলে গেল দুস্কৃতিকারীরা

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

১৮ অক্টোবর, ২০১৯ ২১:২০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সীতাকুণ্ডে একজনকে হত্যা করে ফেলে গেল দুস্কৃতিকারীরা

সীতাকুণ্ডে এক ব্যক্তিকে (৫০) হত্যার পর মরদেহ মহাসড়কের পাশে ফেলে গেছে দুস্কৃতিকারীরা। শুক্রবার দুপুরে উপজেলার কুমিরার একটি নির্জন স্থান থেকে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। 

এলাকাবাসীর ধারণা ডাকাতের দল সর্বস্ব কেড়ে নিয়ে ওই লোককে হত্যা করেছে। একই স্থানে আগেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। তবে পুলিশ এখনো ঘটনার কারণ জানতে পারেনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে উপজেলাধীন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিরা বাইপাস সড়কে ঢাকামুখী লেনের পাশে গাছপালার ভেতরে এক ব্যক্তির মরদেহ দেখতে পায় সেখানে খেলতে থাকা শিশুরা। পরে এ ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা তা পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে সীতাকুণ্ড থানার পুলিশ সেখানে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে।

কুমিরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোর্শেদুল আলম চৌধুরী জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিরার বাইপাস সড়কের ওই এলাকাটি অত্যন্ত নির্জন। বিশেষত রাতের আঁধারে ওই এলাকা ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে। রোড ডাকাতদের একটি দল সেখানে আগেও বহু মানুষের অর্থ ও মূল্যবান সরঞ্জাম কেড়ে নিয়েছে। অল্প কয়েকদিন আগে ওই স্থান থেকে স্থানীয় এক যুবকের কার ভাড়া নিয়ে ৪-৫ জনের ডাকাত দল তাকে নিয়ে মিরসরাইয়ের বারৈয়ারহাটের কাছে গিয়ে কারটি কেড়ে নিয়ে তাকে গাড়ি থেকে ফেলে দেয়। 

তিনি আরো বলেন, জায়গাটি নির্জন হওয়ায় অন্যত্র খুন করেও এখানে আগেও লাশ ফেলে গিয়েছিল অজ্ঞাত খুনিরা। হতে পারে ওই একই খুনি চক্র লোকটির সর্বস্ব কেড়ে নিতে চাইলে বাধা পেয়ে তাকে হত্যা করে ফেলে যায়। লোকটির হাতে একেবারে নতুন একটি ঘড়ি। এছাড়া মূল্যবান শার্ট-প্যান্ট দেখে তিনি ধারণা করছেন লোকটি কোনো প্রবাসী হতে পারেন। রাতের আঁধারে অর্থ ও মূল্যবান সরঞ্জাম বহন করে নিয়ে যাবার সময় ডাকাতদের পাল্লায় পড়ে খুন হতে পারেন। 

সীতাকুণ্ড থানার ওসির দায়িত্বে থাকা শামীম শেখ বলেন, কুমিরায় বাইপাস সড়কটি সমতল থেকে অনেকটা উঁচু। খুনিরা লাশটি মহাসড়কের পাশ থেকে নিচের দিকে ফেলে দিলে সেটি ঝোপের মধ্যে একটি গাছের সাথে আটকে যায়। সকাল ১০টার দিকে স্থানীয় শিশুরা খেলতে গিয়ে লাশটি দেখতে পায়। 

তিনি আরো বলেন, লোকটির বয়স আনুমানিক ৫০। তার পরিচয় আমরা নিশ্চিত হতে পারিনি। নিহতের শরীরে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন আছে। আঘাত ও রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে আমরা ধারণা করছি। লাশ পোস্টমর্টেমের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছি। এ বিষয়ে হত্যা মামলা দায়ের হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা