kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

সেতু নেই, ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকোয় চলাচল

ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি   

১৮ অক্টোবর, ২০১৯ ১৬:১৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সেতু নেই, ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকোয় চলাচল

বগুড়ার ধুনট উপজেলার চিকাশি ইউনিয়নে মানাস নদী পারাপারের একমাত্র ভরসা স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত বাঁশের সাঁকো। পুরুষরা কোনোমতে ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকোটি পার হলেও নারীদের পার হতে খুব কষ্ট হয়। প্রায় সময় নারী-শিশুরা বাঁশের সাঁকোটি পার হতে গিয়ে পানিতে পড়ে। স্থানীয়রা দুর্ভোগ লাঘবে দীর্ঘদিন ধরে এখানে পাকা সেতু নির্মাণের দাবি করে আসলেও কর্তৃপক্ষের মন গলেনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গজারিয়া-সোনারগাঁ গ্রামের মাঝ দিয়ে বহমান মানাস নদী। এই নদী গ্রামীণ জনপদের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে। নদীর বুকে স্থায়ী সেতু নির্মাণ করা হয়নি। ফলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয় পাঁচ থেকে সাত গ্রামের মানুষকে। বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে, মুমূর্ষু রোগী, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের এবং শিশুসহ বৃদ্ধদের। 

অন্যদিকে স্থায়ী সেতু নির্মাণ না হওয়ায় ক্ষতিগস্ত হচ্ছেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা। উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা স্বাধীনতার পর থেকে বার বার সেতু নির্মাণের আশ্বাস দিলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। মানুষ জীবনের তাগিদে ঝুঁকি নিয়ে নড়বড়ে সাঁকো দিয়ে পার হচ্ছেন। ফলে নীরব ক্ষোভ বিরাজ করছে স্থানীয়দের মাঝে। তারপরেও দুর্ভোগ থেকে মুক্তির জন্য স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি তাদের।

স্থানীয় বিদ্যালয়ের শিক্ষক অশিউজ্জামান বলেন, সেতু না থাকায় এখানকার মানুষ আজ অবহেলিত। সাধারণ মানুষসহ শিক্ষার্থীদের সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয়। অথচ সেতুটি নির্মাণ হলে ভোগান্তি লাগবের পাশাপাশি যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হতো।

ধুনট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই খোকন বলেন, মানাস নদীর বুকে সেতু নির্মানের জন্য প্রাক্কলন তৈরি করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। অর্থ বরাদ্দ সাপেক্ষে সেতু নির্মাণ করা হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা