kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

সাপাহারে শয়নঘরে গৃহবধূর লাশ, স্বামী পলাতক

সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি   

১৮ অক্টোবর, ২০১৯ ১১:৪৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সাপাহারে শয়নঘরে গৃহবধূর লাশ, স্বামী পলাতক

নওগাঁর সাপাহারে ভাড়া বাসার শয়নঘর থেকে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গৃহবধুর স্বামী পলাতক। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে উপজেলার মাস্টার পাড়ার জৈনক মোতাহার হোসেনের বাড়ি থেকে পুলিশ গৃহবধূর লাশটি উদ্ধার করে।

জানা গেছে, জয়পুরহাট জেলার দোগাছি গ্রামের মো. ফারুক হোসেন (২৫) বেশ কয়েক বছর ধরে সাপাহার উপজেলা সদরে বিভিন্ন বাসায় ভাড়া থেকে কখনও চারা গাছ কখনও ফুলের চারাসহ বিভিন্ন ব্যবসা করতেন। বছর দেড়েক আগে তিনি তার গ্রামের বাড়িতে স্ত্রী-পুত্র রেখে আসেন। পরে সাপাহার উপজেলা সদরের লালমাঠিয়া পাড়ায় জনৈক ফারুক হোসেনের মেয়ে জোছনা খাতুনের (১৬) সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে বিয়ে করেন। মাস দুয়েক আগে তিনি মাস্টার পাড়ার ওই বাসায় নতুন ভাড়াটিয়া হিসেবে ওঠেন। 

এলাকাবাসী জানান, ভাড়ার প্রথম দিন থেকেই ফারুক হোসেন তার অপ্রাপ্ত বয়স্কা স্ত্রী জোছনাকে বাসায় তালাবদ্ধ করে বাইরে যেতেন। দুই মাসের মধ্যে একদিনও তার স্ত্রী ওই বাসা হতে বের হয়নি। ঘটনার দিন রাতে ভাড়াটিয়া ফারুক অজ্ঞাত স্থান হতে বাসার মালিক মোতাহার হোসেনকে ফোনে জানান, তার ঘরের মধ্যে স্ত্রী গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্নহত্যা করেছে। সংবাদ পেয়ে বাসার মালিক পুলিশকে সাথে নিয়ে বাসায় যান। দরজার তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঘরের মেঝেতে জোছনার লাশ পড়ে থাকতে দেখেন তারা। এরপর পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেয়। 

ঘটনার পর হতে জোসনার স্বামী ফারুক হোসেন পলাতক রয়েছেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ফারুক তার স্ত্রীকে গলাটিপে হত্যা করে পালিয়েছেন। পুলিশ বলছে, এটি হত্যা না আত্মহত্যা তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়া গেলেই বোঝা যাবে। প্রাথমিকভাবে এ বিষয়ে থানায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য পুলিশ জোছনার লাশটি নওগাঁ মর্গে প্রেরণ করেছে।

এ বিষয়ে থানার ওসি আব্দুল হাইয়ের সাথে কথা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা