kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

দুই জেলায় কথিত বন্দুকযুদ্ধ, রোহিঙ্গাসহ নিহত ৩

জয়পুরহাট ও টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি   

১৮ অক্টোবর, ২০১৯ ০৯:২৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



দুই জেলায় কথিত বন্দুকযুদ্ধ, রোহিঙ্গাসহ নিহত ৩

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি ও কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে দুই রোহিঙ্গাসহ তিনজন নিহত হয়েছেন।

গতরাত ৩টার দিকে জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে পুলিশের সঙ্গে এবং  আজ শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) ভোরে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং লম্বাবিল এলাকায় নাফ নদের তীরে বিজিবির সঙ্গে এ পৃথক 'বন্দুকযুদ্ধ'র ঘটনা ঘটে।

পাঁচবিবিতে নিহত ব্যক্তির নাম আমিনুল ইসলাম ক্যাসেট (৪২)। তিনি  পাঁচবিবির পিয়ারা গ্রামের মৃত সাহাবুল ইসলামের ছেলে। পুলিশের দাবি, তিনি অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়সহ আট  মামলার আসামি ছিলেন। এ ঘটনায় পুলিশের দুই সদস্য আহত হয়েছেন এবং তাঁদেরকে পাঁচবিবির মহিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে।

পাঁচবিবি থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) মুনছুর রহমানের ভাষ্যমতে, পাঁচবিবির ভুতগাড়ী গ্রামে অপহরণকারী দলের সদস্যরা একত্রিত হওয়ার গোপন সংবাদ পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। এ সময় পুলিশের অবস্থান টের পেয়ে তারা গুলি ছুড়লে পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। একপর্যায়ে অপহরণকারীরা পালিয়ে গেলেও পুলিশ আমিনুল ইসলামকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে। তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। 

ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি বিদেশি পিস্তলসহ সাত  রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে বলেও দাবি করেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।

অন্যদিকে, কক্সবাজারের টেকনাফে নিহতরা হলেন উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এ ব্লকের আবুল হাসিম (২৫) ও একই ক্যাম্পের সি ব্লকের নূর কামাল (১৯)। আব্দুল হাসিম ক্যাম্পের সুলতান আহম্মেদের ছেলে এবং নূর কামাল আবু সিদ্দিকের ছেলে। বিজিবির দাবি, তারা দুজনই ইয়াবা পাচারকারী ছিলেন। 

টেকনাফ-২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফয়সাল হাসান খানের ভাষ্যমতে, মিয়ানমার থেকে নাফ নদ হয়ে একটি ইয়াবার চালান বাংলাদেশ প্রবেশ করবে- এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ শুক্রবার ভোরে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লম্বাবিল নাফ নদের তীরে অবস্থান নেয় বিজিবির একটি দল। এ সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। বিজিবিও পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে ইয়াবা পাচারকারীরা পিছু হটলে ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আটক করা হয়। এরপর টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনাস্থল থেকে ৫০ হাজার পিস ইয়াবা, একটি দেশি অস্ত্র ও দুটি কিরিচ উদ্ধার করা হয় এবং আহত বিজিবির তিন সদস্যকে ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেন বিজিবির ওই কর্মকর্তা। লাশ দুটি কক্সবাজার মর্গে রয়েছে এবং এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা