kalerkantho

বুধবার । ১৩ নভেম্বর ২০১৯। ২৮ কার্তিক ১৪২৬। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

জুড়ীর-গৌরীপুর সড়ক

তিন দিনের মাথায় উঠে যাচ্ছে রাস্তার কার্পেটিং

কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি   

১৮ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:২৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তিন দিনের মাথায় উঠে যাচ্ছে রাস্তার কার্পেটিং

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার জায়ফরনগর ইউনিয়নের গৌরীপুর গ্রামের রাস্তা পাকাকরণ কাজ গত রবিবার শেষ হয়েছে। এরই মধ্যে হাত দিয়ে টানলেই কার্পেটিং উঠে যাচ্ছে। একদিকে কার্পেটিং করা হচ্ছে অন্যদিকে তা উঠে যাচ্ছে। এমন দৃশ্য দেখার জন্য বিভিন্ন এলাকার লোকজন সেখানে ভিড় করছেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, কাজের শুরু থেকেই সড়কটিতে নিম্নমানের কাজ হচ্ছিল। বাধা উপক্ষো করে ঠিকাদার কাজ অব্যাহত রাখেন। কাজের অনিয়মের বিষয়ে এলাকাবাসী প্রতিবাদ করলে ঠিকাদার পুলিশ পাঠিয়ে ভয়-ভীতি প্রদর্শন করান বলে অভিযোগ রয়েছে। 

এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে জায়ফরনগর ইউনিয়নের ভোগতেরা বিশ্বনাথপুর সড়ক এবং পাশের গৌরীপুর গ্রামের এক কিলোমিটার কাঁচা সড়ক পাকাকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রায় ৪৫ লাখ টাকার কাজটি পান মৌলভীবাজারের ঠিকাদার নোমান আহমদ। ২০১৭ সালের ২৯ নভেম্বর কাজ শুরু হয়। ২০১৮ সালের ২৮ মে কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে ঠিকাদার কাজ শেষ করতে পারেননি। এরপর সড়কের শেষের দিকের কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয় বড়লেখার ঠিকাদার কামাল হোসেনকে। গত ১০ অক্টোবর গৌরীপুর এলাকায় ১৯৬ মিটার সড়কের পাকার কাজ শুরু হয়।

সরেজমিনে গেলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, সড়কের কার্পেটিংয়ের পুরুত্ব ২৫ মিলিমিটার হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু ঠিকাদার দিয়েছেন ১০ থেকে ১৫ মিলিমিটার। বিটুমিন কম দিয়ে বালুর ওপর কার্পেটিং করা হয়। তাই নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার তিনদিন পর থেকে বিভিন্ন স্থানে হাত দিয়ে টান দিলেই কার্পেটিং উঠে যাচ্ছে।

জায়ফরনগর ইউপি চেয়ারম্যান মাছুম রেজা সরেজমিন পরিদর্শন করে ঠিকাদারের লোকজনদের কাজ বন্ধ রাখতে বলেন এবং উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় বিষয়টি তুলে ধরেন। 

এ বিষয়ে ঠিকাদার কামাল হোসেনের সাথে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কথা হয়। তিনি বলেন, আমি কাজের সাইটে না থাকায় শ্রমিকরা কাজে অনিয়ম করেছে। আমি এটা ঠিক করে দিচ্ছি। 

জুড়ী উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী আব্দুল মতিন বৃহস্পতিবার বিকেলে বলেন, নতুন করে কাজ করে দেওয়ার জন্য ঠিকাদারকে চিঠির মাধ্যমে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা