kalerkantho

বুধবার । ২০ নভেম্বর ২০১৯। ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

সড়ক দুর্ঘটনা নয়, ট্রাক চাপায় হত্যা করা হয় মামুনকে

পঞ্চগড় প্রতিনিধি   

১৭ অক্টোবর, ২০১৯ ১৯:২২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সড়ক দুর্ঘটনা নয়, ট্রাক চাপায় হত্যা করা হয় মামুনকে

সোহেল রানা মামুন।

সড়ক দুর্ঘটনায় নয়, সোহেল রানা মামুনকে (৩৫) ট্রাক চাপা দিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তার পরিবার। এ ঘটনায় তেঁতুলিয়া মডেল থানায় ওই ট্রাকের চালকসহ দু’জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেছে মামুনের পরিবার। আসামিরা হলেন, টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার মাইদার চালা এলাকার আব্বাস আলীর ছেলে আব্দুল কুদ্দুস (২৫) এবং ঘাটাইল পোড়াবাড়ি এলাকার সাগর (২৩)। দু’জনই ট্রাক চালক। স্থানীয়রা কুদ্দুসকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন। বৃহস্পতিবার তাকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঢাকা মেট্রো ট-১৮-৭৫৮৪ নম্বরের ওই ট্রাকটিও জব্দ করা হয়েছে। 

মামলা সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো গত বুধবার সকালে মামুন বাড়ি থেকে কাজে বের হন। পরে ট্রাক নিয়ে বাংলাবান্ধায় পাথর লোড করতে রওনা হন। যাওয়ার পথে ওভারটেক নিয়ে টাঙ্গাইলের ট্রাক চালক আব্দুল কুদ্দুস ও সাগরের সঙ্গে মামুনের কথা কাটাকাটি হয়। বাংলাবান্ধা ইউনিয়নের সিপাইপাড়া এলাকায় উভয় চালক ট্রাক থামিয়ে নিচে নেমে কথা কাটাকাটি শুরু করেন। একপর্যায়ে মামুনের সঙ্গে ওই ট্রাক চালকের হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। পরে স্থানীয়রা তাদের থামান। পরে মামুন সড়ক পাড় হয়ে নিজ ট্রাকে উঠতে যাওয়ার সময় কুদ্দুস তার ট্রাকটি মামুনের ওপর দিয়ে চালিয়ে দেয়। পরে স্থানীয়রা মামুনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মামলার বাদী ও মামুনের বড় ভাই রমজান আলী বলেন, ওই ট্রাক চালক আমার ভাইকে ওভারটেক নিয়ে কথা কাটাকাটির জেরে ইচ্ছে করেই চাপা দিয়ে হত্যা করেছে। সে প্রকৃত গাড়ি চালক হলে এমনটা কখনোই করতে পারতো না। আমরা তার এমন শাস্তি চাই যেন আর কেউ এ রকম ঘটনা ঘটনোর সহস না পায়। 

তেঁতুলিয়া মডেল থানার উপপরিদর্শক এবং ওই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন বলেন, মামলার মূল আসামি ট্রাক চালক আব্দুল কুদ্দুসকে স্থানীয়রা আটক করে আমাদের হাতে তুলে দেয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তার সাথে সাগর নামে আরেক ট্রাক চালক ছিল। সে পালিয়ে যায়। তাকে গ্রেপ্তার করার জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা