kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ নভেম্বর ২০১৯। ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২১ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ডেঙ্গু : মৃত জালালের পরিবারের আরো ছয়জন আক্রান্ত

বাঘারপাড়া (যশোর) প্রতিনিধি    

১৭ অক্টোবর, ২০১৯ ১৯:১৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ডেঙ্গু : মৃত জালালের পরিবারের আরো ছয়জন আক্রান্ত

যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার জামদিয়া ইউনিয়নের দত্তপাড়া এলাকার জালাল উদ্দিনের বাড়িতে এখন সুনসান নীরবতা। গত ৪ অক্টোবর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে জালাল উদ্দিনের মৃত্যুর পর তাঁর পরিবারের আরো ছয় সদস্য ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়। তাদের মধ্যে কেউ চিকিৎসাধীন আছে, আবার কেউ উন্নত চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছে। এ এলাকার আরো বেশ কয়েকজন এ রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে। বাগানবেষ্টিত এই এলাকার বাসিন্দারা এখন ডেঙ্গু আতঙ্কে ভুগছে।

জালালের শোকাহত বোন রানী বেগম জানান, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ভাইয়ের মৃত্যুর পর গত শনিবার থেকে তাঁর মা মোমেনা বেগম যশোর সিএমএইচএ ও ভাই শাহাজাহান আলী ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। জালালের সাত বছরের ছেলে সাহিদ হাসান, ভাই নাসির উদ্দিন ও তাঁর ১১ মাস বয়সী মেয়ে আভাও চিকিৎসাধীন।

তা ছাড়া ডেঙ্গুতে আক্রান্ত জামদিয়া দত্তপাড়া গ্রামের মৃত সুধীর সরকারের ছেলে পল্লী চিকিৎসক শংকর সরকার ও তাঁর পুতনি অঙ্কিতা সরকার যশোরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে এক সপ্তাহ চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছে। দত্তপাড়া এলাকাসংলগ্ন জামদিয়া দক্ষিণপাড়া গ্রামের রহমান মোল্লার ছেলে সহিদ মোল্লা, জামাল উদ্দিনের ছেলে ইলিয়াস, সুজন মিস্ত্রির ছেলে নওশের মিস্ত্রি, আজাদ আলীর ছেলে অমিত হাসান, হাকিম মোল্লার ছেলে ইব্রাহিম মোল্লা, ইউসুফ কারির ছেলে ফারুক হোসেন, স্থানীয় ইউপি সদস্য সাইদুর রহমান বেশ কয়েক দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও যশোর সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরলেও শঙ্কামুক্ত নন বলে জানা গেছে। জালাল উদ্দিনের মৃত্যুর পর আতঙ্কে দিনাতিপাত করছে এই এলাকার বাসিন্দারা।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জামদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম টুটুল বলেন, ‘ওই এলাকায় ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বেড়েছে। প্রথম থেকেই আমি বিষয়টি নজর রাখছি। স্থানীয় মেম্বারকে এলাকায় ঠিকমতো ওষুধ ছিটাতে বলেছি।’ ইউপি সদস্য সাইদুর রহমান জানান, এক মাস আগে ওই এলাকায় ওষুধ ছিটানো হয়েছে।

বাঘারপাড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. আকতারুজ্জামান জানান, বর্তমানে ১৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। এ পর্যন্ত ৩২২ জন ডেঙ্গু রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, উপজেলার বন্দবিলা ইউনিয়নের প্রেমচারা গ্রামে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করে বেশ কয়েকজন নারী-পুরুষ। ‘ভয়ের গ্রাম প্রেমচারা’ শিরোনামে এসংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় কালের কণ্ঠে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা