kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ নভেম্বর ২০১৯। ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২১ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় মাদ্রাসা সুপার গ্রেপ্তার

বাগেরহাট ও শরণখোলা প্রতিনিধি   

১৭ অক্টোবর, ২০১৯ ১৮:৪৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় মাদ্রাসা সুপার গ্রেপ্তার

বাগেরহাটের শরণখোলায় এক ছাত্রীকে ধর্ষণ ঘটনায় অভিযুক্ত মাদ্রাসা সুপার ইলিয়াস হোসেন জোমাদ্দারকে (৪৮) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলা দায়েরের দু'মাস পর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)  বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে গ্রেপ্তারে সক্ষম হয়। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক জীবনযাপন করছিলেন।

সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার কাটাখালী এলাকা থেকে ইলিয়াস হোসেন জোমাদ্দারকে আটক করা হয়। একটি যাত্রীবাহি বাস তল্লাশি করে তাকে আটক করে পিবিআই।  ইলিয়াস হোসেন জোমাদ্দার শরণখোলা উপজেলার খোন্তকাটা রশিদিয়া স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসার সুপার। তিনি পূর্ব রাজাপুর গ্রামের আব্দুল গফ্ফারের ছেলে। তিনি প্রায় ১০ বছর ধরে ওই মাদ্রাসায় চাকুরি করছেন। গত ৮ আগস্ট সেখানে লাইব্রেরী রুমে ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। পরে ১৯ আগস্ট ছাত্রীর বাবা বাদি হয়ে শরণখোলা থানায় নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী (১১)  ইলিয়াস হোসেন জোমাদ্দারের কাছে কোরআন শিক্ষা নিচ্ছিল। ৮ আগস্ট সকালে ইলিয়াস তাকে লাইব্রেরীতে ডেকে নেন। এরপর দরজা-জানালা বন্ধ করে মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনা কাউকে জানালে হত্যার হুমকি দেন ইলিয়াস। বাড়িতে পৌছে ছাত্রী ঘটনা জানায় তার মাকে। তখন ভয় দেখিয়ে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন ইলিয়াস। তারপর মামলা হলে পালিয়ে যান।

বাগেরহাটে পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার  মোজাম্মেল হক জানান, পিবিআই ধর্ষণ মামলাটির তদন্তে নেমেছে ১৪ সেপ্টেম্বর। এরপর কয়েকদিন চলে অনুসন্ধান।  পলাতক আসামি ইলিয়াস দ্রুত স্থান পরিবর্তন করতে থাকেন। বৃহস্পতিবার বাগেরহাট থেকে অন্যত্র পালিয়ে যাচ্ছিলেন। বিষয়টি জানতে পেরে কাটাখালী এলাকায় বাসে তল্লাশি  চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পিবিআই কার্যালয়ে রেখে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা