kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

প্রশাসনকে 'ম্যানেজ' করেই চলছে ইলিশ শিকার

মো. ইমরুল কায়েস, পবিপ্রবি প্রতিনিধি   

১৭ অক্টোবর, ২০১৯ ১৭:৪৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রশাসনকে 'ম্যানেজ' করেই চলছে ইলিশ শিকার

পটুয়াখালীর পায়রা নদীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য কওে জেলেদের প্রকাশ্যে মা ইলিশ শিকার করার অভিযোগ উঠেছে। তবে দিনের বেলার চেয়ে রাতেই শিকার করছে বেশি। পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার পাতাবুনিয়া বাজার এবং জেলেপাড়ার জেলেরা মা ইলিশ শিকার করছেন বেশি। স্থানীয়দের অভিযোগ দুমকি উপজেলার মৎস্য অফিসকে ম্যানেজ করেই জেলেরা নিশ্চিন্তে ইলিশ শিকার করছেন। নদীতে অভিযানে যাওয়ার ২০ মিনিট আগে ফোন দিয়ে সতর্ক করে দেওয়া হয় জেলেদের। যাতে তারা অভিযানে আসার আগেই সরে যাওয়া যায়। স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী যে সকল জেলেরা সরকারি আদেশ অমান্য করে মা ইলিশ শিকার করছেন তারা সবাই সরকার থেকে মাসিক ৪০ কেজি চালসহ অন্যান্য আরো সহযোগিতা পাচ্ছেন। সরকার থেকে সহযোগিতা পওয়ার পরেও এ সকল জেলেরা নদী থেকে মা ইলিশ শিকার করছেন। যার ফলে সামনের দিকে এসব নদী থেকে ইলিশের পরিমাণ কমে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পায়রা নদীতে তিন কিলোমিটারের মধ্যে প্রায় ৫০টি কারেন্ট জাল পাতা আছে। এসব নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল দিয়েই ইলিশ শিকার করছেন জেলেরা। 

নদীর পাড়ের স্থানীয় বাসিন্দা রাজা আমিনুল ইসলাম খোকন বলেন, অসাধু কর্মচারী এবং জেলেদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়াসহ নদীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল বাড়ানো গেলে ইলিশ রক্ষা করা সম্ভব হবে। 

দুমকি উপজেলা (ভারপ্রাপ্ত) মৎস্য কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন জানান, নদীতে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। সার্বক্ষণিক টহল দেওয়া হচ্ছে যাতে করে নিষেধাজ্ঞা থাকাকালীন নদীতে কেউ ইলিশ শিকার করতে না পারে। আইন অমান্য করে কেউ ইলিশ শিকার করলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, নদীতে আমাদের টহল অব্যাহত আছে। আমরা এখন পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করে বিভিন্ন পরিমাণ টাকা জরিমানা করেছি এবং ১০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করেছি। কেউ যেন ইলিশ ধরতে না পারে সে ব্যাপারে আমরা সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা