kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

পরীক্ষা চলাকালীন ২০ ছাত্রের চুল কেটে দিলেন অধ্যক্ষ

কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি   

১৭ অক্টোবর, ২০১৯ ১৩:১৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পরীক্ষা চলাকালীন ২০ ছাত্রের চুল কেটে দিলেন অধ্যক্ষ

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় পরীক্ষা চলাকালীন ২০ ছাত্রের চুল কাটলেন অধ্যক্ষ। এ ঘটনায় পরীক্ষা না দিয়ে ছাত্ররা হল থেকে বেরিয়ে যায়। পরবর্তীতে শিক্ষকদের মধ্যস্থতায় ছাত্ররা হলে ঢুকে পরীক্ষা দেয়। এ নিয়ে ছাত্রদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল বুধবার উপজেলার কুশলা নেছারিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে। 

কুশলা নেছারিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসার দাখিল শ্রেণির শিক্ষার্থী ইয়ামিন শিকদার, মাহামুদুল হাসান, রমজান ফকির, ইয়াসিন খান, রহমত শেখ, রিপন, ইয়াসিন শেখ জানায়, গত বুধবার তাদের বাংলা পরীক্ষা চলছিল। এ সময় হঠাৎ করে অধ্যক্ষ মো. বাকের হোসাইন কাঁচি (কেঁচি) দিয়ে ২০ ছাত্রের মাথার চুল কেটে দেয়। এ ঘটনার পর ছাত্ররা পরীক্ষা না দিয়ে হল থেকে বেরিয়ে যায়। পরবর্তীতে মাদরাসাটির অন্যান্য শিক্ষকদের মধ্যস্থতায় ছাত্ররা তাদের পরীক্ষা শেষ করে। 

নাম প্রকাশ না করা শর্তে এক ছাত্র জানায়, বাংলা পরীক্ষার প্রথম ঘণ্টা পড়ার পর হঠাৎ করে হুজুর আমাদের হলে ঢুকে সব ছাত্রের চুল কেটে দেয়। এ ঘটনার পর আমরা পরীক্ষা না দিয়ে বেরিয়ে আসার পরে আমাদেরকে দাখিল পরীক্ষার ফরম পূরণ করতে দেওয়া হবে না বলে হুমকি দেওয়া হয়। এর পরে আমরা পরীক্ষা অংশগ্রহণ করি। 

কুশলা নেছারিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মো. বাকের হোসেনের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি দাখিল শ্রেণির সকল ছাত্রকে পরীক্ষার আগের দিন চুল কেটে মাদরাসায় আসতে বলেছি। ছাত্ররা আমার কথার অবাধ্য হওয়ার কারণে ওদের চুল কেটে দিয়েছি। আমি ওদেরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ভাবে থাকা ও নীতি-নৈতিকতা শিক্ষা দেওয়ার জন্যই চুল কেটে দিয়েছি। তবে আমি কাউকে ফরম পূরণ করতে দেব না- এ কথা বলিনি। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মাহফুজুর রহমান বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। যদি সত্যতা পাওয়া যায় তা হলে বিধিমোতাবেক অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা