kalerkantho

বুধবার । ২০ নভেম্বর ২০১৯। ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

টঙ্গী-গাজীপুর সড়কে নৈরাজ্য

সিটিং-গেটলকে চরম দুর্ভোগ

টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি   

১৭ অক্টোবর, ২০১৯ ০৩:৫০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সিটিং-গেটলকে চরম দুর্ভোগ

টঙ্গী-গাজীপুর সড়ক এখন পরিবহন শ্রমিকদের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে। যাত্রীবাহী বাসগুলো যাত্রীসেবার নামে দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবহন শ্রমিকরা কোনো নিয়মনীতির ধার না ধেরে ইচ্ছামতো গাড়ি চালান, ভাড়া আদায় করেন। নারী, শিশু আর স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রী দেখলে বাস থামে না। থামলেও দরজা বন্ধ করে ঠেলে, ধাক্কা দিয়ে যাত্রীদের ফেলে দেন—এ অভিযোগ প্রতিদিনের। এই সড়কের বেশির ভাগ গাড়ি ফিটনেসহীন হলেও সেগুলোই গেটলক-সিটিং সার্ভিসের নামে যাত্রীদের হয়রানি করছে।

সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রতিটি স্টপেজে যাত্রীদের ভিড় আর গাড়িতে ওঠার প্রতিযোগিতা দুর্ভোগে রূপ নিয়েছে; সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অতিরিক্ত ভাড়া। সরকার নির্ধারিত ভাড়া এখানে অচল। প্রতিদিন যাত্রীদের সঙ্গে পরিবহন শ্রমিকদের ঘটছে নানা অপ্রীতিকর ঘটনা।

তিন মাস আগে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের নির্দেশে এ সড়কে তিন চাকার সব যান চলাচল বন্ধ করায় যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম এখন বাস। পাঁচ টাকার ভাড়া আদায় করা হচ্ছে ১০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত। অথচ সরকার নির্ধারিত কিলোমিটারপ্রতি ভাড়া এক টাকা ৭০ পয়সা। গাজীপুর থেকে সায়েদাবাদ, গুলিস্তান, নিউ মার্কেট-আজিমপুর ও মতিঝিল রুটের সব বাসে আদায় করা হচ্ছে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে দ্বিগুণ ভাড়া। বলাকা, স্কাইলাইন, অনাবিল, আজমেরী ও বনশ্রী পরিবহন গাজীপুরের চৌরাস্তা থেকে টঙ্গীর কলেজ গেট পর্যন্ত ১০ টাকার ভাড়া নিচ্ছে ২০ টাকা। অন্যদিকে মধুমতি, গাজীপুর পরিবহন ও ভিআইপি-২৭ বাসে আদায় করা হচ্ছে ৩০ টাকা। 

ট্রাফিক দক্ষিণ বিভাগের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার থোয়াই অং প্রু মারমা বলেন, ‘এ রুটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া আসলে আমাদের এখতিয়ারে পড়ে না। তিন চাকার যানবাহন বন্ধের কারণে পরিবহন সংকট দেখা দিয়েছে। দ্রুতই বিআরটিসির আরো দোতলা বাস নামানো হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা