kalerkantho

বুধবার । ২০ নভেম্বর ২০১৯। ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

চসিক মেয়র নাছির বললেন

চমেক হাসপাতালের ডাক্তার নার্সদের নোবেল দেওয়া উচিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

১৭ অক্টোবর, ২০১৯ ০২:২০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



চমেক হাসপাতালের ডাক্তার নার্সদের নোবেল দেওয়া উচিত

চসিক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। ফাইল ছবি

সীমিত জনবল দিয়ে নির্ধারিত শয্যার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি রোগীকে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের চিকিৎসক ও সেবক-সেবিকাদের নোবেল পুরস্কার দেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন চসিক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। গতকাল বুধবার দুপুরে চমেক হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগের করোনারি কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ-২) উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠান তাহের ব্রাদার্স লিমিটেডের সৌজন্যে সিসিইউ-২ ইউনিট স্থাপন করা হয়। চমেক হাসপাতাল হৃদরোগ বিভাগ এবং রোগী কল্যাণ সমিতি এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

সিটি মেয়র তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘চমেক হাসপাতালের অনুমোদিত শয্যাসংখ্যা এক হাজার ৩০০টি। কিন্তু তার তুলনায় জনবল অনেক কম, অনেকগুলো পদ শূন্য আছে। সীমিত সেই জনবল দিয়ে তিন হাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার ভর্তি রোগীকে (ইনডোর) চিকিত্সাসেবা দিতে হয়। এ ছাড়া বহির্বিভাগে (আউটডোর) আরো তিন হাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার রোগীকে চিকিত্সাসেবা দিতে হয়। আমি মনে করি, আমাদের চট্টগ্রাম মেডিক্যালে যে সব ডাক্তার-নার্স সেবার কাজে নিয়োজিত তাঁদের তো নোবেল পুরস্কার দেওয়া উচিত।’

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহসেন উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন বিএমএ চট্টগ্রামের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মুজিবুল হক খান, চমেক উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাসির উদ্দিন মাহমুদ, হূদরোগ বিভাগের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডা. প্রবীর কুমার দাশ, অধ্যাপক ডা. বাসনা মুহুরী, রোগী কল্যাণ সমিতির সহসভাপতি ডা. তৈয়ব সিকদার, তাহের ব্রাদার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল বশর প্রমুখ।

চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে শতভাগ নিশ্চিত হয়ে সংবাদ প্রকাশের দাবি করে আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, ধারণার ওপর নির্ভর করে সংবাদ পরিবেশন করা অস্বাভাবিক। এর দ্বারা মানুষের কাছে ভুল মেসেজ যাচ্ছে। ডাক্তারদের ওপর চাপ তৈরি হয়। যদি শতভাগ নিশ্চিত হন তবে একজন নির্দিষ্ট ডাক্তারের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করা যায়। ঢালাওভাবে সব ডাক্তারের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করা উচিত নয়। বিদেশে গিয়ে চিকিত্সার সামর্থ্য আছে কতজনের? বেশির ভাগ মানুষের এ দেশের চিকিত্সকের ওপর নির্ভর করতে হয়। বড় খেলোয়াড়রা সব ম্যাচে ভালো খেলতে পারেন না। কারণ স্নায়ুচাপ। একজন ডাক্তার যদি রোগীর সেবা দিতে গিয়ে চাপ অনুভব করেন তবে ভুল চিকিৎসা হতে পারে।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে আ জ ম নাছির উদ্দীন আরো বলেন, সাংবাদিকরা লেখেন করিডরে রোগী কেন রাখা হয়। তাহলে তো বাড়তি রোগীকে বিদায় করে দিতে হবে। যতটা সিট আছে ততটা সেবা যদি দেওয়া হয়, তাহলে রোগী কমে যাওয়ার কারণে সেবার মাত্রা অটোমেটিক্যালি তো বেড়ে যাবে। তাহলে গরিব রোগীরা চিকিৎসা পাবে না। মৃত্যুর মুখে পতিত হবে। হৃদরোগ বিভাগে কোনো অধ্যাপকের পদ নেই। সাংবাদিকদের এসব সংকটের কথা লিখতে হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা