kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

বারৈয়াঢালায় বর্ধিত সভায় হামলার অভিযোগ

আওয়ামী লীগ-যুবলীগের ৮ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

১৬ অক্টোবর, ২০১৯ ২৩:০৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আওয়ামী লীগ-যুবলীগের ৮ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বারৈয়াঢালা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় হামলার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। বুধবার বারৈয়াঢালা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন সিরাজী বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। এতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাঈদ মিয়াকে প্রধান আসামিসহ আওয়ামী লীগ-যুবলীগের সুনির্দিষ্ট ৮ জন ও অজ্ঞাত ৮-১০ জনকে আসামি করা হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ অক্টোবর বিকাল আনুমানিক সাড়ে ৫টায় সীতাকুণ্ডের বারৈয়াঢালার কলাবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় সভার প্রধান সমন্বয়কারী চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা অ্যাড. ফকরুদ্দিন স্বাগত বক্তব্য প্রদানকালে ১নং আসামি সীতাকুণ্ড থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাঈদ মিয়ার নির্দেশে আসামিরা চাইনিজ কুড়াল, ছুরি, লোহার রড, লাঠিসোটা নিয়ে সভার সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন সিরাজী বাধা দিতে গেলে তাকেও ছুরি দিয়ে মাথার পেছনে আঘাত করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে যায় তারা।

এছাড়া যাবার সময় এ বিষয়ে কোনো মামলা করলে হত্যা করার হুমকিও দেয় তারা। এ কারণে বুধবার দুপুরে ইসমাইল হোসেন সিরাজী বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড থানায় মামলা করেন। এতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ মিয়াকে ১নং আসামিসহ সুনির্দিষ্ট ৮ জনকে আসামি করেন তিনি। মামলার অন্য আসামিরা হলেন- বারৈয়াঢালা ইউনিয়নের পূর্ব লালানগর গ্রামের মৃত আবুল কাসেম মাষ্টারের ছেলে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. জসীম উদ্দিন, পশ্চিম লালানগর গ্রামের মৃত ছমির আহমদের ছেলে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আবুল কালাম, পূর্ব ধর্মপুর গ্রামের আবুল কাসেমের ছেলে আবদুর রাজ্জাক, কলাবাড়িয়া গ্রামের আইয়ুব খান প্রকাশ খান সাহেব, পূর্ব লালানগর গ্রামের মো. মহিউদ্দিন, টেরিয়াইল গ্রামের মো. সোহেল ও বারৈয়াঢালা গ্রামের মো. ইমরান হোসেন।

এছাড়া আরো ৮-১০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার প্রধান আসামি সাঈদ মিয়া বলেন, আমি কোনো হামলা করিনি। তারপরও কেন আমাকে আসামি করা হয়েছে জানি না। যাদের আসামি করা হয়েছে তারা প্রত্যেকেই আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী। রাজনৈতিক উদ্দেশেই মামলাটি করা হয়েছে বলে আমি ধারণা করছি। 

জানতে চাইলে সীতাকুণ্ড থানার ওসি (ইন্টেলিজেন্স) সুমন বণিক বলেন বারৈয়াঢালায় আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের হলেও এখনো কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা