kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

গ্রেপ্তার দুই

গভীর রাতে বন্ধুকে খুন করতে গিয়ে যুবক নিজেই খুন

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

১৬ অক্টোবর, ২০১৯ ০৩:০৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গভীর রাতে বন্ধুকে খুন করতে গিয়ে যুবক নিজেই খুন

মারামারির জের ধরে ধারালো অস্ত্র নিয়ে বন্ধুকে খুন করতে গিয়ে পিটুনি ও ধারালো অস্ত্রের কোপে উল্টে নিজেই হত্যার শিকার হয়েছেন এক যুবক। গত সোমবার গভীর রাতে নগরীর পাহাড়তলী থানার লঙ্কাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এর মধ্যে রুমি আক্তার নামে এক নারী হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, নিহত যুবক সুজন মল্লিক (২৯) নগরীর দক্ষিণ কাট্টলী জেলেপাড়ার মৃত নির্মল মল্লিকের ছেলে। তাঁদের গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার শোভনদণ্ডী ইউনিয়নের মধ্যম কালিয়াইশ গ্রামে। সুজন বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।

এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় চারজনকে আসামি করা হয়েছে। তাঁরা হলেন—পাহাড়তলীর লঙ্কাপাড়া এলাকার একরাম হোসেন বাবু (৩০), তাঁর বাবা আব্দুল মালেক (৬৫), স্ত্রী রুমি আক্তার (২৫) ও নিকটাত্মীয় আবু তাহের (২০)।

পাহাড়তলী থানার ওসি মাইনুর রহমান জানান, একরাম ও সুজন দুজন বন্ধু এবং মাদকসেবী। তিন-চার মাস আগে তাঁদের মধ্যে মনোমালিন্য হয়। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে কয়েক দফা মারামারিও হয়। গত শুক্রবার সুজন ধারালো অস্ত্র নিয়ে লঙ্কাপাড়ায় এসে একরামকে মারার হুমকি দিয়ে যান। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার গভীর রাত দেড়টার দিকে সুজন একরামের বাসার কাছে আসেন। 

এ সময় একরামকে একা পেয়ে কিরিচ দিয়ে আঘাত করলে একরামের হাত কেটে রক্ত ঝরতে থাকে। একরামের বাসার লোকজন ঘটনা দেখতে পেয়ে লোহার রড ও ধারালো কিরিচ নিয়ে সুজনের ওপর হামলে পড়ে। তাঁদের পিটুনি ও কিরিচের আঘাতে সুজন মারাত্মক আহত হন। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর সুজন মারা যান।

খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে একরামের স্ত্রী রুমি ও পিতা আব্দুল মালেককে গ্রেপ্তার করে। এর মধ্যে রুমি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হত্যার দায় স্বীকার করে চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম সরওয়ার জাহানের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

এ ঘটনায় সুজনের ছোট ভাই রনি মল্লিক বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার অপর দুই আসামি একরাম ও আবু তাহের পলাতক। তাঁদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে বলে জানান ওসি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা