kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

কক্সবাজার এলএ শাখায় পাঁচ দালালকে এক মাস করে সাজা

বিশেষ প্রতিনিধি, কক্সবাজার   

১৬ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কক্সবাজার এলএ শাখায় পাঁচ দালালকে এক মাস করে সাজা

ছবি: কালের কণ্ঠ

কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ (এল এ) শাখায় আজ মঙ্গলবার অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পাঁচ দালালকে আটক করেছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত আটক দালালদের প্রত্যেককে এক মাস করে সাজা প্রদান করেছেন।

আজ মঙ্গলবার বিকাল ৩টার দিকে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাখন চন্দ্র সূত্র ধরের নেতৃত্বে এল এ শাখায় এ অভিযান পরিচালনা করেন। 

দণ্ডিত দালালদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে যে, এসব দালালগণ সরকারি কর্মচারীদের সরকারি কাজে বাধা প্রদান করে আসছিলেন। এমন অভিযোগ প্রমাণে তাৎক্ষণিকভাবে সাজা প্রদানের মাধ্যমে পাঁচ দালালকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

কক্সবাজারের ভূমি অধিগ্রহণ শাখার (এলএও) দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ আশরাফুল আফসার এ বিষয়ে বলেন, দালালদের উৎপাত বেড়ে যাওয়ায় সরকারি কাজের গতি স্লথ হয়ে পড়েছে। দালালদের কারণে এলএও অফিসের কাজ কর্ম বাধাগ্রস্ত হওয়ায় মাঝে মাঝে দালাল হঠাতে অভিযান চালানো হয়।

অভিযান পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাখন চন্দ্র সূত্র ধর জানান, সাজাপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- মহেশখালী উপজেলার কালামারছড়া ইউনিয়নের আন্ধারঘোনা এলাকার মৃত আব্দুস সমদের ছেলে মো. আব্দুল নুর, জাগিরাঘোনা এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে খোরশেদ আলম, উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের মালভিটা এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে আলাউদ্দিন, ভালুকিয়া পালং এলাকার মো. কাশেমের ছেলে এস এম দিদারুল আলমসহ টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের উত্তর শিলখালী এলাকার শফিকুল ইসলামের ছেলে আমান উল্লাহ।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আরো জানান, ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় অভিযান চলাকালীন সময়ে তালিকাভুক্ত চিহ্নিত দালাল মহেশখালীর হোসেন ড্রাইভারসহ মহিবুল্লাহ, জালাল উদ্দিন, জাকারিয়া, জসিম, বাদল, তাজউদ্দিন, মো. হান্নান, রহিম বক্সু, অলি উল্লাহসহ আরো বেশ কয়েকজন দালাল কৌশলে পালিয়ে যায়।

সরকারের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় একটি সক্রিয় দালাল সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। প্রশাসন এসব দালাল সিন্ডিকেট নির্মূলে এর আগেও একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করে বেশ কয়েকজন দালালকে সাজা প্রদান করলেও কারাগার থেকে বেরিয়ে এসে পুনরায় এ অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে।

দালালদের কারণে প্রকৃত জমির ক্ষতিগ্রস্ত মালিকরা নানাভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে তিনি প্রায়শ অভিযোগ পেয়ে থাকেন। তিনি আরো জানান, জেলা প্রশাসন এই বিষয়ে কঠোর ভূমিকায় রয়েছে এবং কোনো কমিশন ছাড়াই ক্ষতিগ্রস্তদের চেকের টাকা প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা