kalerkantho

বুধবার । ১৩ নভেম্বর ২০১৯। ২৮ কার্তিক ১৪২৬। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ভোক্তাদের অভিযোগ জানাতে হটলাইন চালু করতে

আরো দুইমাস সময় পেলো ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর

প্রধানমন্ত্রীকে দিয়ে হটলাইন উদ্বোধন করাতে হাইকোর্টের পরামর্শ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৫ অক্টোবর, ২০১৯ ২০:০৫ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আরো দুইমাস সময় পেলো ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর

ভোক্তারা যাতে সার্বক্ষণিক অভিযোগ জানাতে পারে সেজন্য একটি হটলাইন চালু করতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে আরো দুইমাস সময় দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালত হটলাইন চালু কার্যক্রমের অগ্রগতি আগামী ১৭ ডিসেম্বরের মধ্যে জানাতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছেন।

এদিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর আদালতে অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করে বলেছে, এই হটলাইন চালুর জন্য সরকার ৪৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে।

এ বিষয়ে আদালত বলেন, হটলাইন চালুর পর সে বিষয়ে জনগণকে জানানোর জন্য ব্যাপকভাবে প্রচারণা চালাতে হবে। এজন্য সম্ভব হলে প্রধানমন্ত্রীকে দিয়ে হটলাইন উদ্বোধন করাতে পারেন।

বিচারপতি শেখ হাসান আরিফের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ মঙ্গলবার এক আদেশে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে সময় দেন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ভেজাল ও নিম্নমানের পণ্য নিয়ে ভোক্তা অধিকার সংস্থা ‘কনসাস কনজুমার্স সোসাইটি’(সিসিএস)-এর করা এক রিট আবেদনের ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার এ আদেশ দেন আদালত। এদিন রিট আবেদনকারীপক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার কামরুজ্জামান কচি।

হাইকোর্ট গত ১৬ জুন এক আদেশে দুইমাসের মধ্যে একটি হটলাইন চালু করতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের নির্দেশ দেন। এর প্রেক্ষাপটে অধিদপ্তর শামীম আল মামুনকে সভাপতি করে গত ৪ জুলাই ৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে। এরপর ১৪ জুলাই অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হটলাইন স্থাপনের ব্যয় নির্বাহের জন্য অর্থ বরাদ্দ দিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি দেন।

ওই চিঠিতে বলা হয়, বিটিআরসি থেকে প্রাপ্ত ধারণানুযায়ী একটি হটলাইন স্থাপন করতে আনুমানিক ৫০ লাখ টাকা ব্যয় হবে। এরপর আদালতের নির্দেশে গত ২৭ আগস্ট জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) শামীম আল মামুন হাজির হয়ে হটলাইন স্থাপনের বিষয়ে ব্যাখ্যা দেন। এ দিন আদালত তিনমাসের মধ্যে হটলাইন স্থাপন করতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে নির্দেশ দেন এবং ১৫ অক্টোবরের মধ্যে অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়।

এ অবস্থায় মঙ্গলবার অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। প্রতিষ্ঠানটির আইনজীবী বলেন, টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। ৯টি কম্পানির কাছ থেকে প্রস্তাবনা পাওয়া যায়। এরমধ্যে প্রাথমিকভাবে ৫টি বাছাই করা হয়েছে। এরমধ্যে যাচাই-বাছাই করে কাজ দিতে আরো সময় লাগবে। এরপর আদালত আগামী ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দেন। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা