kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ নভেম্বর ২০১৯। ২৭ কার্তিক ১৪২৬। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ইলিশের কারণে কারাদণ্ড ১৪২ জনের

শরীয়তপুর প্রতিনিধি   

১৫ অক্টোবর, ২০১৯ ১৯:১৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ইলিশের কারণে কারাদণ্ড ১৪২ জনের

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ মাছ ধরা ও কেনাবেচায় জড়িত ১৪২ জনকে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। শরীয়তপুরের চারটি উপজেলায় একযোগে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এসময় ২ লাখ মিটার কারেন্ট জাল ও দেড় হাজার কেজি ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়।

সূত্র জানায়, সোমবার দিবাগত রাতে বিশেষ অভিযান চলে শরীয়তপুরের নড়িয়া, জাজিরা, ভেদরগঞ্জ ও গোসাইরহাট উপজেলার পদ্মা নদীতে। ইলিশের প্রজনন মৌসূমে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ আহরণ ও ক্রয় বিক্রয়ের অপরাধে আটক করা হয় ১৪৭ জনকে। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে জরিমানা করা হয়। অন্যদের কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।  অভিযানে পুলিশ, মৎস্য বিভাগ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নড়িয়া উপজেলায় পদ্মা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান শুরু হয় আনুমানিক রাত দুইটায়। সেখানে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট কাফি বিন আনোয়ার ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আমিনুল হক নেতৃত্ব দেন। টানা ৬ ঘন্টার অভিযানে মাছ ধরার অপরাধে ৬০ জন ও মাছ ক্রয়ের জন্য ৫ জনকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট কাফি বিন কবির ৬৫ জনকে এক বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

পৃথক অভিযানে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মাহাবুবুর রহমান, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ বৈরাগী  ও জাজিরা উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা উজ্জল কুমার রায়। তারা ভোর ৪টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করেন। সেখানে আটক করা হয় ৬৫ জনকে। পরে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট  মাহবুবুর রহমান ৬০ জনকে এক বছর করে কারাদণ্ড প্রদান করেন। বয়স কম থাকায় পাঁচজনকে ৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেয়া হয়।

অন্যদিকে ভেদরগঞ্জে ১৩ জন ও গোসাইরহাটে ৪ জনকে ১ বছর করে কারাদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক। চার উপজেলার অভিযানে মোট ২ লাখ মিটার কারেন্ট জাল এবং দেড় হাজার কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়। আদালতের নির্দেশে কারেন্ট জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। আর জব্দ করা মাছ বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা