kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

সীতাকুণ্ডে আ. লীগের বর্ধিতসভা

বারৈয়াঢালায় সংঘর্ষে সভা পণ্ড, আহত ৮

বাড়বকুণ্ডে মুলতবি

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

১৫ অক্টোবর, ২০১৯ ০৩:৫২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বারৈয়াঢালায় সংঘর্ষে সভা পণ্ড, আহত ৮

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বারৈয়াঢালা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বর্ধিতসভায় দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত আটজন আহত হয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় সভাটি পণ্ড হয়ে যায়।

এদিকে চরম হট্টগোল হয়েছে বাড়বকুণ্ড ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভায়ও। সেখানেও সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হলে বাধ্য হয়ে সভা মুলতবি করে দেন জেলা আওয়ামী লীগ নেতারা। 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণের লক্ষ্যে উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় সোমবার বিকেলে একযোগে বর্ধিতসভা আহ্বান করা হয়। প্রত্যেক সভায় উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের একজন নেতা সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন। সাতটি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় সুশৃঙ্খলভাবে সভা শেষ হলেও বারৈয়াঢালায় সভা পণ্ড হয়ে যায়। মুলতবি করা হয় বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের সভা।

বারৈয়াঢালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক রায়হান উদ্দিন রেহান জানান, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্মেলনের তারিখ চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে স্থানীয় কলাবাড়িয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বর্ধিত সভাটি শুরু হয় বিকেল ৫টার দিকে। এতে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও থানা আওয়ামী লীগের নির্বাচন সমন্বয়কারী মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফকরুদ্দিন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আলাউদ্দিন ছাবেরী, বারৈয়াঢালা ইউনিয়নের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সমন্বয়ক সাঈদ মিয়াসহ ওয়ার্ড ও ইউনিয়নের নেতারা। 

সভাটি শুরুর কিছুক্ষণ পরই যুবলীগ-ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়ে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ইসমাইল হোসেন সিরাজী, ১নং ওয়ার্ডের সভাপতি হান্নান ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম, ৮নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক শাহনেওয়াজ উদ্দিন কাজলসহ কয়েকজনকে আহত করেন। 

ওই ইউনিয়ন কাউন্সিল সমন্বয়কারীদের একজন, থানা আওয়ামী লীগ নেতা মো. সাঈদ মিয়া বলেন, সভা চলাকালে একপর্যায়ে ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বলেন, বিগত নির্বাচনে যাঁরা দলের জন্য অবদান রেখেছেন তেমন লোকদেরই পদ পাওয়ার কথা। অন্যদের কথা আসবে কেন? এ কথার সঙ্গে সঙ্গে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়।

অন্যদিকে প্রায় একই সময়ে অনুষ্ঠিত বাড়বকুণ্ড স্কুল অ্যান্ড কলেজে ইউনিয়নের সম্মেলন চলাকালে কমিটির নেতৃত্ব নিয়ে সাবেক চেয়ারম্যান মো. মহসিন গ্রুপ ও বর্তমান চেয়ারম্যান মো. ছাদাকাত উল্লাহর গ্রুপের মধ্যে তুমুল হট্টগোল শুরু হয়। একপর্যায়ে সভায় উপস্থিত স্থানীয় সংসদ দদস্য দিদারুল আলম, উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. ইসহাক, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মহিউদ্দিন বাবলু, অ্যাডভোকেট ভবতোষ প্রমুখ নেতা সভাটি মুলতবি করে দেন।

উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মো. মহিউদ্দিন বাবলু বলেন, বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের পূর্ণাঙ্গ কমিটি সাবেক চেয়ারম্যান মহসিন জাহাঙ্গীর এখন মানছেন না। এ নিয়ে হট্টগোল শুরু হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা