kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

বাগান ঘেরাও করে ধর্ষক ধরল জনতা, পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ

সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি   

১৩ অক্টোবর, ২০১৯ ১৮:২৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাগান ঘেরাও করে ধর্ষক ধরল জনতা, পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ

নওগাঁর সাপাহারে এক ধর্ষককে গণপিটুনি দিয়ে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করেছে এলাকাবাসী। এ বিষয়ে থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের হয়েছে। গত শনিবার সন্ধা ৭টার দিকে উপজেলার সহদল পাড়া ও ওমইল বাজার এলাকার মাঝামাঝি একটি আমবাগানে ঘটনাটি ঘটেছে।

থানায় দায়েরকৃত মামলার এজহার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সহদল পাড়ার জৈনক আশরাফুল ইসলামের এক মেয়ে স্থানীয় উমইল দাখিল মাদ্রাসায় নবম শ্রেণিতে পড়ত। সে সূত্রে মেয়েটি প্রতিদিনের ন্যায় সে দিনও বিকেলে ওই মাদরাসার এক শিক্ষকের নিকট প্রাইভেট পড়তে মাদরাসায় আসে। ঘটনাক্রমে প্রাইভেট শিক্ষক সে দিন না আসায় শিক্ষকের অপেক্ষায় সময় কাটিয়ে মেয়েটি সন্ধ্যে সাড়ে ৬টার দিকে সহদলপাড়া তার বাড়ির উদ্দেশে মাঠের ভেতর দিয়ে রওনা হয়। মেয়েটি মাদরাসা থেকে তার গ্রামের অদূরে একটি আমবাগানের নিকট পৌঁছামাত্র পূর্ব হতে ওই বাগানে ওত পেতে বসে থাকা একই গ্রামের তছলিম উদ্দীনের ছেলে মোর্শেদ আলী (২২) তার পথ রোধ করে। এর পর মোর্শেদ মেয়েটিকে জোরপূর্বক বাগানের ভেতর নিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। এ সময় ধর্ষকের কবল থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য মেয়েটি চিৎকার করলে মেয়েটিকে এগিয়ে নিতে আসা তার মা ও তার সাথের লোকজন চিৎকার শুনে তারাও চিৎকার শুরু করে। এ সময় গ্রামের ভেতর থেকে লোকজন ছুটে এসে সমস্ত বাগান ঘেরাও করে ধর্ষক মোর্শেদ আলীকে হাতেনাতে ধরে ফেলে এবং পিটুনি দিতে থাকে। মারপিটের একপর্যায়ে ধর্ষকের মাথা ফেটে রক্ত বের হলে স্থানীয় লোকজন তাকে তাৎক্ষণিক সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। 

এর পর মেয়েটির বাবা ঘটনার বিবরণ শুনে ও বুঝে গভীর রাতে সাপাহার থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করলে পুলিশ তার অভিযোগের ভিত্তিতে রাতেই ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করে হাসপাতালে ধর্ষক মোর্শেদকে আটক করে। বর্তমানে ধর্ষক মোর্শেদ পুলিশ পাহারায় সাপাহার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা