kalerkantho

রবিবার। ২৫ শ্রাবণ ১৪২৭। ৯ আগস্ট ২০২০ । ১৮ জিলহজ ১৪৪১

লাকসামে তেল কলে অগ্নিকাণ্ড, এককোটি টাকার ক্ষতি

লাকসাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি   

১০ অক্টোবর, ২০১৯ ১৯:৫৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



লাকসামে তেল কলে অগ্নিকাণ্ড, এককোটি টাকার ক্ষতি

কুমিল্লার লাকসামের পৌর শহরের একটি তেল কলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সব কিছু পুড়ে গেছে। বুবধার রাতে পৌর শহরের পূর্ব লাকসাম মহাশশ্মান সংলগ্ন ফরিদ সুপার মার্কেটে অবস্থিত মেসার্স ফারহানা ওয়েল মিল নামে একটি তেল কলে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। অগ্নিকাণ্ডে প্রায় কোটি টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত তেল কল মালিক দাবি করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত পৌনে ১২টার দিকে ফরিদ সুপার মার্কেটের অদূরে একটি বৈদ্যুতিক ট্রান্সফর্মারে বিকট শব্দ হয়। এ সময় অনুরূপ বিকট শব্দে মার্কেটে অবস্থিত ফারহানা ওয়েল মিলেও আগুন ধরে যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন মিলের অভ্যন্তরে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের লেলিহান শিখা দেখে পাশের একটি বিস্কুট বেকারিতে থাকা লোকজন চিৎকার-চেচামেচি শুরু করে।

সংবাদ পেয়ে লাকসাম দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে তেল কলের মেশিনপত্র, বড় বড় প্লাস্টিকের ড্রাম ভর্তি সরিষার তৈল, কাঁচা সরিষা, তৈল ভর্তি কন্টেইনার, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও আসবাবপত্রসহ অন্যান্য মালামাল পুড়ে যায়।

ওই মার্কেটের নৈশ প্রহরী মো. আবু ছায়েদ জানান, রাতে হঠাৎ বিকট শব্দ শোনার পরপরই ফারহানা অয়েল মিলে আগুন ধরে যায়। এ সময় তিনি অনেকটা দিশেহারা হয়ে চিৎকার করতে থাকলে পাশের একটি বিস্কুট বেকারিতে থাকা লোকজন চিৎকার-চেচামেচি শুরু করেন। পরে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন এবং দমকল বাহিনীকে সংবাদ দেন।

অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যাওয়া মেসার্স ফারহানা অয়েল মিলের মালিক সৈয়দ ফরিদ উদ্দিন সিদ্দিকী বলেন, অগ্নিকাণ্ডে মিলের সব কিছু পুড়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এক কোটি টাকার অধিক হবে বলে তিনি দাবি করেন। 

তিনি জানান, ব্যাংক থেকে ১ কোটি ২০ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন। ওই মিলে প্রায় ১৪ জন শ্রমিক-কর্মচারী কাজ করে। অগ্নিকাণ্ডের ফলে তিনি এখন নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন।

এ ব্যাপারে লাকসাম দমকল বাহিনীর সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. সফিকুল ইসলাম জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে দ্রুত আগুন নেভানো হয়। ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শটসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা