kalerkantho

বুধবার । ২৩ অক্টোবর ২০১৯। ৭ কাতির্ক ১৪২৬। ২৩ সফর ১৪৪১                 

ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগ নেতাদের দখলে থাকা সরকারি জমি উদ্ধার

আরএনপিপির জন্য এক হাজার দোকান উচ্ছেদ!

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি   

১০ অক্টোবর, ২০১৯ ১৮:২৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঈশ্বরদীতে আওয়ামী লীগ নেতাদের দখলে থাকা সরকারি জমি উদ্ধার

পাবনা ঈশ্বরদীস্থ রূপপুর পাকার মোড়ে সাবেক ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরিফ ডিলু এমপির স্ত্রী কামরুন্নাহার শরিফ, ভূমিমন্ত্রীর এপিএস বশির আহমেদ বকুলসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাসহ দখলদারদের কবজা থেকে সরকারি জমি উদ্ধার করেছে পাবনা জেলা প্রশাসন।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে পাবনা জেলা প্রশাসকের তত্ত্বাবধায়নে রেলওয়ে, উপজেলা প্রশাসন এবং সড়ক ও জনপদ (সহজ) যৌথ উদ্যোগে এইসব দোকান ও আবাসন উচ্ছেদ করা হয়।

রূপপুর পারমাণবিক শক্তি প্রকল্প (আরএনপিপি) নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয়তার জন্য রূপপুর মোড় ও নতুনহাটস্থ গ্রিন সিটি এলাকা থেকে আলহাজ মোড় এলাকায় থাকা এসব অবৈধ ও বৈধ দখলদারদের লিজ বাতিল করে উচ্ছেদ করা হয়।

আর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদ করার সাময়িকভাবে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ দুর্ভোগে পড়ছেন। এসব দোকান উচ্ছেদ করায় উদবেগ, উৎকণ্ঠা ও অশ্রুসিক্ত এবং বাকরুদ্ধ হয়ে উচ্ছেদ তাণ্ডব দেখেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও তাদের স্বজনরা।

ঈশ্বরদীর পাকশী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনামুল হক বিশ্বাস রূপপুর মোড়ের ক্ষতিগ্রস্ত দোকানদারদে বরাত দিয়ে বলেন, রূপপুর মোড়ে ছোট বড় প্রায় ২০০ দোকান ছিল। এসব দোকানের উপর তাদের সংসার চলতো। উচ্ছেদ করায় তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাই তাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী ইয়াফেজ ওসমানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর নিকট দাবি জানানো হয়েছে।

পাকশী রেলওয়ের পক্ষ থেকে উচ্ছেদে ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্বে থাকা বায়েজিত বিন আকন্দ জানান, রূপপুর মোড়ের দোকান মালিকদের মধ্যে কেউ কেউ রেলওয়ে থেকে বার্ষিক লিজ নিয়ে আবার কেউ কেউ অবৈধভাবে দখল করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান করে ভাড়া দিয়ে ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন।

আরএনপিপির নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয়তার কারণে এসব দোকানদার ও দখলদারদের কয়েক মাস পূর্বে দখল ছাড়তে চিঠি দেওয়া হয়। তাদের লিজ বাতিল করা হয়। পরে উচ্ছেদের জন্য লালকালির মার্ক করা হয়। এরপর বেশ কিছুদিন ধরে মাইকিং করা হয়।

উচ্ছেদের সময় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দায়িত্বে থাকা ঈশ্বরদী সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মমতাজ মহল জানান, জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধায়নে ও উচ্ছেদের সকল নিয়ম কানুন অনুসরণ করে উচ্ছেদ সম্পূর্ণ করা হয়েছে। দখলদারদের পক্ষ থেকে কোনোরূপ অভিযোগ কিংবা বাধা না থাকায় শান্তিপূর্ণভাবে উচ্ছেদ অভিযান শেষ হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা