kalerkantho

রবিবার । ২০ অক্টোবর ২০১৯। ৪ কাতির্ক ১৪২৬। ২০ সফর ১৪৪১                

দামুড়হুদার সরকারি বীজ বিক্রয় কেন্দ্র বন্ধ, কৃষকরা বিপাকে

দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি   

১০ অক্টোবর, ২০১৯ ১০:১৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দামুড়হুদার সরকারি বীজ বিক্রয় কেন্দ্র বন্ধ, কৃষকরা বিপাকে

লোকবল সংকটের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলা বীজ বিক্রয় কেন্দ্রটি। দামুড়হুদা উপজেলা পরিষদ চত্বরে অবস্থিত বীজ বিক্রয় কেন্দ্রটি প্রায় বছর খানেক আগে থেকে সকল ধরনের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে রয়েছে।

এক সময় মরশুমের শুরুতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বীজ ক্রয়ের জন্য আসা কৃষকদের আনাগোনায় মুখরিত হয়ে থাকত এ অফিস। প্রায়ই লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে বীজ ক্রয় করত কৃষকরা। বর্তমানে কেন্দ্রটিতে একটি গুদাম ও তিন কক্ষ বিশিষ্ট অফিস কক্ষ সবই তালাবন্ধ হয়ে আছে। ফলে বিপাকে পড়েছে এলাকার কৃষকরা।

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দামুড়হুদা উপজেলা শাখা বীজ বিক্রয় কেন্দ্রটিতে তিনটি পদ- একজন উপ-সহকারী পরিচালক বীজ (বিপণন), একজন গুদাম রক্ষক ও একজন নিরাপত্তা প্রহরী। তিনটি পদ থাকলেও গুদাম রক্ষক আব্দুর রশিদ একাই দীর্ঘদিন ধরে অফিসের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন। গত বছরের মার্চে তিনি অবসরে যাওয়ার পর থেকে এখানকার সকল কায্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে সম্পূর্ণ তালাবদ্ধ হয়ে আছে অফিসটি।

দামুড়হুদার হাউলি গ্রামের কৃষক আতিয়ার রহমান বলেন, কেন্দ্র থেকে মরশুম হিসাবে নতুন নতুন উদ্ভাবিত ধান, পাট, গম, সরিষা, সবজিসহ বিভিন্ন ধরনের বীজ ন্যায্য মূল্যে নিরর্ভেজাল বীজ কিনতে পারছিলাম ভালো মন্দ যাচাই করার প্রয়োজন হতোনা।

পুরাতন হাউলি গ্রামের কৃষক রমজান আলি বলেন, বাইরের বিভিন্ন বীজ ভাণ্ডার থেকে বীজ কিনতে দর কষাকষি করতে হয়। অনেক সময় তারা কৃক্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাড়তি দামে বীজ বিক্রয় করে থাকে। তখন বাধ্য হয়ে বেশি দামে বীজ কিনতে হয়। এছাড়া অনেক সময় ভেজালের কারণে প্রতারিত হতে হয়েছে। সরকারি কেন্দ্রটিতে এসব ঝামেলা ছিলোনা। বিক্রয় রশিদের মাধ্যমে নির্ভেজাল ও সঠিক মূল্যে বীজ ক্রয়ের সুবিধা ছিল।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা