kalerkantho

বুধবার । ২৩ অক্টোবর ২০১৯। ৭ কাতির্ক ১৪২৬। ২৩ সফর ১৪৪১                 

সীতাকুণ্ডে আ. লীগের বর্ধিত সভায় হট্টগোল

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

১০ অক্টোবর, ২০১৯ ০২:৩১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সীতাকুণ্ডে আ. লীগের বর্ধিত সভায় হট্টগোল

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন ঘিরে আহ্বান করা বর্ধিত সভা নেতাকর্মীদের হট্টগোলে ভেস্তে গেছে। ফলে ওই সভায় আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড কমিটিগুলোর সম্মেলনের সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা থাকলেও তা আর হয়নি। তবে উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন পূর্বনির্ধারিত ১৬ নভেম্বরেই অনুষ্ঠিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, সর্বশেষ ২০১২ সালে সীতাকুণ্ড উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ত্রিবার্ষিক সম্মেলন হওয়ার কথা থাকলেও কার্যত সাত বছরেও আর কোনো সম্মেলন হয়নি। ফলে সম্মেলন নিয়ে দলে বিভিন্ন সময় মতানৈক্য সৃষ্টি হয়। অতি সম্প্রতি চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভায় আগামী ১৬ নভেম্বর সীতাকুণ্ড উপজেলা সম্মেলনের সিদ্ধান্তে পৌঁছেন নেতাকর্মীরা। তবে এর আগে ৯টি ইউনিয়ন ও প্রত্যেকটি ওয়ার্ড কমিটির সম্মেলন করতে বলা হয়। এ সম্মেলন সমন্বয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয় উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও মহানগর পিপি অ্যাডভোকেট ফকরুদ্দিনকে। 

এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতেই বুধবার বিকেলে জেলা পরিষদ পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইসহাকের সভাপতিত্বে শুরু হওয়া এ সভায় উপস্থিত হন চট্টগ্রাম-৪ সীতাকুণ্ড আসনের সংসদ সদস্য দিদারুল আলম, উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম আল মামুন ও থানা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল বাকের ভূঁইয়াসহ নেতাকর্মীরা। এতে সিদ্ধান্ত হয় যে আগামী ২ নভেম্বর থেকে ১৩ নভেম্বরের মধ্যে সব ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

একইভাবে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্মেলন বিষয়ে আলোচনা শুরু হলে বাড়বকুণ্ড ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটি ও বারৈয়াঢালা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটি নিয়ে নেতাকর্মীরা মতানৈক্যে জড়িয়ে পড়েন। এসব কমিটিকে এক পক্ষ বৈধ দাবি করলেও আরেক পক্ষ অবৈধ আখ্যা দেয়। একপর্যায়ে এসব কমিটি নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দেন এমপি দিদারুল আলম ও থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল বাকের ভূঁইয়া। 

এমন পরিস্থিতিতে শেষ পর্যন্ত ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কাউন্সিলের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়নি। শেষে বর্ধিত সভা মুলতবি করা হয়। অন্যদিকে সীতাকুণ্ডের এমপি দিদারুল আলমের সঙ্গে কথা বলতে চেয়েও তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়ায় তা সম্ভব হয়নি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা