kalerkantho

বুধবার । ২৩ অক্টোবর ২০১৯। ৭ কাতির্ক ১৪২৬। ২৩ সফর ১৪৪১                 

তাড়াশে ইউএনওসহ ছয়জনের নামে মামলা, সমন

তাড়াশ-রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি    

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ২১:২৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তাড়াশে ইউএনওসহ ছয়জনের নামে মামলা, সমন

নীতিমালাবহির্ভূতভাবে বিদ্যুতচালিত অগভীর সেচ প্রকল্প স্থাপনের চেষ্টায় সহযোগিতা করার অভিযোগে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইফ্ফাত জাহানসহ ছয়জনের নামে মামলা দায়ের হয়েছে। তাড়াশ সহকারী জজ আদালতের বিচারক শাহাদাত হোসেন মামলাটি সাময়িকভাবে গ্রহণ করে সমন জারির আদেশ প্রদান করেছেন। 

রবিবার দুপুরে মামলাটি দায়ের করেছেন তাড়াশ উপজেলার গুড়পিপুল গ্রামের মৃত সবদের আলী সেখের ছেলে লুৎফর রহমান। আদালতের পেশকার সাইফুল ইসলাম ও বাদী পক্ষের আইনজীবী বরাদ আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

মামলা নম্বর ৩৪/১৯। মামলার অন্য আসামিরা হলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির তাড়াশ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার, সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ১ এর জেনারেল ম্যানেজার, তাড়াশ পানাসী প্রকল্পের উপসহকারী প্রকৌশলী ইসরাইল হোসেন ও উপজেলার দোগারিয়া গ্রামের মৃত ছাবের আলীর ছেলে কাবিল উদ্দিন।

এজাহারে সূত্রে জানা যায়, মামলার বাদী লুৎফর রহমান একজন প্রান্তিক কৃষক। ২০১৭ সালে তিনি আড়ংগাইল মৌজায় ক্ষুদ্র সেচ প্রকল্পের নীতিমালা মোতাবেক নিজ জমিতে ডিজেলচালিত সেচ পাম্পের মাধ্যমে সেচকার্য পরিচালনা করে আসছেন। ১৫ এপ্রিল তিনি তার ডিজেলচালিত সেচ পাম্পের পরিবর্তে বিদ্যুতচালিত সেচ পাম্প স্থাপনের জন্য তাড়াশ জোনাল অফিসে একটি আবেদন করেন। 

এদিকে, বাদীর সেচ প্রকল্পের মাত্র ২০ গজ দূরত্বে বিবাদী কাবিল উদ্দিন অন্যের জমিতে সেচ বোরিং করে অগভীর নলকূপ স্থাপনের জন্য তাড়াশ জোনাল অফিসে পাল্টা একটি আবেদন করেন। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি বিষয়টি তদন্ত করে বিবাদী কাবিল উদ্দিনের নিজস্ব কোনো জমি নেই মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করে। অথচ, কাবিল উদ্দিন ভূমিহীন হওয়া সত্ত্বেও বিএডিসির উপসহকারী প্রকৌশলী ইসরাইলের যোগসাজসে অবৈধভাবে বিদ্যুতচালিত সেচপ্রকল্প স্থাপনের জন্য অপচেষ্টা করছেন। 

এজাহারে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, এ সেচ প্রকল্প স্থাপনকে কেন্দ্র করে এলাকায় জন-অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। এমতাবস্থায় বিবাদীগণের সহযোগিতায় নালিশি সেচপ্রকল্প এলাকায় আরেকটি সেচপ্রকল্প স্থাপন করলে বাদীর অপূরণীয় ক্ষতি হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা