kalerkantho

সোমবার । ১৪ অক্টোবর ২০১৯। ২৯ আশ্বিন ১৪২৬। ১৪ সফর ১৪৪১       

বৃষ্টি উপেক্ষা করে আন্দোলন, পঞ্চম দিনেও উত্তাল বশেমুরবিপ্রবি

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি   

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৮:৪৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বৃষ্টি উপেক্ষা করে আন্দোলন, পঞ্চম দিনেও উত্তাল বশেমুরবিপ্রবি

আন্দোলনের পঞ্চম দিনেও মিছিলে মিছিলে উত্তাল ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেমুরবিপ্রবি) ক্যাম্পাস। ক্যাম্পাসটি এখন মিছিলের ক্যাম্পেসে রূপ নিয়েছে। সকাল থেকে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন হল এবং হলের বাইরে থেকে শিক্ষার্থীদের একত্রিক হয়ে একের পর এক মিছিল ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে। আর এসব মিছিলের অভিন্ন উদ্দেশ্য হলো উপাচার্য অধ্যাপক ডক্টর খোন্দকার নাসিরউদ্দিনের পদত্যাগ। পদত্যাগের এক দফা দাবিতে মিছিল আর স্লোগানে স্লোগানে দাবি আদায়ের ধ্বনি মুখরিত হচ্ছে। 

আজ সোমবার আন্দোলনের পঞ্চম দিনেও বৃষ্টি উপেক্ষা করে গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্বাবিদ্যালয়ের উপাচার্য খোন্দকার নাসিরউদ্দিনের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে আন্দোলন চলমান রেখেছেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটির কোনো পত্র বা খবর এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেনি। তবে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা মঞ্চ থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে গঠিত তদন্ত কমিটিকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেছে। কারণ হিসেবে শিক্ষার্থীরা বলেছেন, এর আগেও তাঁর (উপাচার্য) বিরুদ্ধে বেশ কয়েকবার তদন্ত হয়েছে। তাঁরা অদৃশ্য কারণে ম্যানেজ হয়ে চলে গেছেন। তাই উপাচার্যের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে বলে জানিয়েছেন। 

এদিকে, শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে কোনো মামলা দায়ের না করায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. নূরউদ্দীন আহমেদ বলেছেন, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আমরা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করেছি। সেটা অমান্য করে শিক্ষার্থীরা হল ও ক্যাম্পাস ছাড়েনি। শিক্ষার্থীদের ওপর ক্যাম্পাসের বাইরে যে হামলার ঘটনা ঘটেছে তার জন্য আমরা মর্মাহত হয়েছি। এ বিষয়ে গত রবিবার ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা। রিপোর্ট পাওয়ার পর এ বিষয়ে সভা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা হলের পানি ও বিদ্যুত বন্ধের যে অভিযোগ করেছে তা সঠিক নয়। যে দিন বন্ধ ছিল সে দিন গোপালগঞ্জে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। তাই পানিও তোলা সম্ভব হয়নি। কিন্তু শিক্ষার্থীরা বিষয়টি অন্যভাবে উপস্থাপন করেছে বলে রেজিস্ট্রার জানিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার থেকে উপাচার্যের বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও নারী কেলেঙ্কারি ঘটনায় তাঁর (উপচার্যের) পদত্যাগের এক দফা দাবিতে বিরতিহীন আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা