kalerkantho

বুধবার । ১৬ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৬ সফর ১৪৪১       

আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ ইবি প্রক্টরের

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০৮:৪২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ ইবি প্রক্টরের

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) সদ্য যোগদানকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান। গতকাল রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে পদত্যাগে বাধ্য হন তিনি। 

এর আগে প্রক্টরের পদত্যাগের দাবিতে গতকাল শনিবার সকাল থেকে বিক্ষোভ করতে থাকে সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের একাংশ। দুপুর দেড়টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক আটকে আন্দালন করেন তারা। শনিবারই প্রক্টর পরিবর্তনের জন্য এক দিনের আলটিমেটাম দিয়েছিলেন তারা। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস সময় শেষ হলেও প্রক্টরকে পরিবর্তন করেনি প্রশাসন। আন্দোলনকারীদের কাছে সাত দিনের সময় চায় কর্তৃপক্ষ।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমানের পদত্যাগের দাবিতে দুপুর ১টার দিকে মিছিল নিয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. রাশিদ আসকারীর কার্যালয়ে যায় ছাত্রলীগ। সংগঠনের  নেতাকর্মীরা অধ্যাপক ড. মাহবুবের বিরুদ্ধে বিগত সময়ে প্রক্টরের দায়িত্ব পালনকালে তাঁর নির্দেশে ছাত্রলীগের ওপর গুলি ও শিক্ষক নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ এনে তাঁকে পরিবর্তনের দাবি জানান। এ সময় ছাত্রলীগ নেতারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনকে উদ্দেশ করে বলেন, 'আমরা অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমানকে প্রক্টর পদে না দেওয়ার অনুরোধ করেছিলাম। আমাদের অনুরোধ না রেখে আপনারা তাঁকে নিয়োগ দিয়েছেন। গতকাল (শনিবার) আপনাদেরকে প্রক্টর পরিবর্তনের আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছিল। এবার সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন করব।'

এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল শিক্ষক সংগঠন শাপলা ফোরামের নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী ১৫ জনের একটি প্যানেল বিকেল সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে দেখা করে একই দাবি জানায়। এ বিষয়ে শাপলা ফোরামের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. আলমগীর হোসেন ভূইয়া বলেন, 'শাপলার সাবেক কমিটির একটি সিদ্ধান্ত ছিল, যেসব শিক্ষক পাঁচ বছর প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেছেন, তাঁদেরকে আবারও দায়িত্ব না দেওয়া। এ ছাড়া বর্তমান প্রক্টর (ড. মাহবুব) বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত। তাই প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত রিভিউ করার জন্য বলা হয়েছে।'

গত শনিবার তৃতীয়বারের মতো প্রক্টর হিসেবে যোগ দেন অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা