kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ১৭ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৭ সফর ১৪৪১       

নবম শ্রেণীর ছাত্রীর বিয়ে বন্ধ করে লেখাপড়ার দায়িত্ব নিলেন এসিল্যান্ড

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি   

২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১১:৩৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নবম শ্রেণীর ছাত্রীর বিয়ে বন্ধ করে লেখাপড়ার দায়িত্ব নিলেন এসিল্যান্ড

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে আগৈত গ্রামে নবম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে বাল্যবিয়ের হাত থেকে রক্ষ করলেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক মো. মঈনুল হক। শুক্রবার রাতে তিনি বিয়ে বাড়িতে হাজির হয়ে ওই ছাত্রীকে বাল্য বিয়ের হাত থেকে রক্ষা করেন। বরের বাবা গণেশ মন্ডলের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন। পরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) দরিদ্র ওই ছাত্রীর লেখাপড়ার দায়িত্ব নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, শুক্রবার রাতে উপজেলার আনাইতারা ইউনিয়নের আগৈত গ্রামের দরিদ্র পরিবারের নবম শ্রেণীর এক ছাত্রীর সঙ্গে নাগরপুর উপজেলার দিতুলিয়া গ্রামের গণেশ মন্ডলের ছেলের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা চলছিল। খবর পেয়ে উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক মো. মঈনুল হক ওই বিয়ে বাড়িতে অভিযান চালান এবং বাল্যবিয়ের কুফল সম্পর্কে দুই পরিবারকে অবহিত করেন। পরে বরের বাবা গণেশ মন্ডলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সহকারি কমিশনার (ভূমি) দরিদ্র ওই ছাত্রীর লেখাপড়ার দায়িত্ব নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

আজ রবিবার উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. মঈনুল হক ওই ছাত্রীকে বইসহ পাঁচ হাজার টাকার শিক্ষা উপকরণ কিনে দিয়েছেন। 

কনের মা জানান, দুই বছর আগে তার স্বামী মারা গেছেন। সংসারের খরচ যোগাতে তিনি রাস্তায় মাটির কাজ করেন। আয়ের টাকা দিয়ে সংসার ও মেয়ের লেখাপড়ার খরচ চালাতে হিমশিম খেতে হয়। দরিদ্র হওয়ায় মেয়ের লেখাপড়ার খরচ চালাতে না পেরে বিয়ের আয়োজন করেছিলাম। 

উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক মো. মঈনুল হক জানান, বাল্যবিয়ের খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে এর কুফল সম্পর্কে অবহিত করে বিয়ে বন্ধ করা হয়েছে। বরের বাবাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তাছাড়া ওই ছাত্রীর লেখাপড়ার খরচের দায়িত্ব নিয়েছেন বলে জানান।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা