kalerkantho

মঙ্গলবার । ২২ অক্টোবর ২০১৯। ৬ কাতির্ক ১৪২৬। ২২ সফর ১৪৪১              

লক্ষ্মীপুরে ছাত্রলীগ নেতার ছুরিকাঘাতে কর্মী হাসপাতালে

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি    

২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:৩৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



লক্ষ্মীপুরে ছাত্রলীগ নেতার ছুরিকাঘাতে কর্মী হাসপাতালে

ছবি: কালের কণ্ঠ

লক্ষ্মীপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগ নেতা আরিয়ান রাফির ছুরিকাঘাতে মো. আলমগীর নামে এক কর্মীর গলায় রক্তাক্ত জখম হয়। শনিবার বিকেলে শহরের সিটি হসপিটালের সামনে এ ঘটনা ঘটে। রাত পৌনে ১২টায় প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্ত আলমগীর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

রক্তাক্ত আলমগীর লক্ষ্মীপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের দ্বিতীয় সেমিস্টারের ছাত্র ও ছাত্রলীগ কর্মী। অভিযুক্ত রাফি পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের যুগ্ম-আহবায়ক। তারা দুইজনই পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ঘটনার সময় ছাত্রলীগ নেতা রাফির সামনে আলমগীরসহ তার বন্ধুরা ধূমপান করছিল। এতে রাফি তাদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়। একপর্যায়ে তারা রাফিকে কিলঘুষি মারে। পরে রাফি পাশের হোটেল থেকে ছুরি এনে আলমগীরের গলায় ছুরিকাঘাত করে। এতে তার গলা কেটে রক্তাক্ত জখম হয়। এ সময় দ্রুত রাফি পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে আলমগীরকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

দলীয় সূত্র জানায়, রাফি পৌর ছাত্রলীগের যুগ্ম-আহবায়ক মিনহাজ আলম সাকিবের অনুসারি হিসেবে পরিচিত। আর আলমগীর ছাত্রলীগ নেতা নাসিম দিপ্ত'র অনুসারী। রাফি ও আলমগীরের বাড়ি একই এলাকায়। তাদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়েছে।

ছাত্রলীগ নেতা মিনহাজ আলম সাকিব বলেন, আমি ঘটনাটি কিছুই জানতাম না। সন্ধ্যায় ফেসবুকে প্রথম দেখতে পাই। ঘটনাটি কেন ঘটেছে তাও ঠিকমতো জানি না।

তবে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল করিম নিশান বলেন, এটি রাজনৈতিক ঘটনা নয়, প্রেম নিয়ে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল। সেখান থেকেই ঘটনাটি ঘটেছে।

এ ব্যাপারে লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোসলেহ উদ্দিন বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। তবে এ ঘটনায় থানায় কোনো অভিযোগ করা হয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা