kalerkantho

মঙ্গলবার । ২২ অক্টোবর ২০১৯। ৬ কাতির্ক ১৪২৬। ২২ সফর ১৪৪১            

ইভটিজিংয়ের শালিসে হাতাহাতি, অধ্যক্ষ লাঞ্ছিত

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি   

২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ২২:১০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ইভটিজিংয়ের শালিসে হাতাহাতি, অধ্যক্ষ লাঞ্ছিত

বগুড়ার নন্দীগ্রামে মাদরাসাছাত্রীকে ইভটিজিং এর ঘটনায় শালিস বৈঠকে হাতাহাতি এবং চেয়ার ছোঁড়াছুঁড়ির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ লাঞ্ছিত হয়েছেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে নন্দীগ্রামের কালিশ পুনাইল ফাজিল মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, উপজেলার চাকলমা গ্রামের খোকন ওই মাদরাসার দশম শ্রেণির ছাত্র। খোকন একই মাদরাসার সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে যাতায়াতের পথে মাঝে মধ্যেই ইভটিজিং করতো। এ ঘটনায় ছাত্রীর বাবা মাদরাসার অধ্যক্ষের কাছে অভিযোগ করেন।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে শনিবার সকাল ১০টায় উভয় পক্ষের অভিভাবককে মাদরাসায় ডাকা হয়। গভর্নিং বডির সভাপতি বেলাল হোসেনসহ অধ্যক্ষের কক্ষে শালিস বৈঠক শুরু হয়। বৈঠক চলাকালে বেলা ১১টার দিকে উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। এক পর্যায় অভিযোগকারী ছাত্রীর ভাই সাব্বির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে চেয়ার দিয়ে আঘাত করেন। পরে অন্যান্য শিক্ষকদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এ ঘটনার পর উভয় পক্ষের লোকজন মাদরাসা মাঠে অবস্থান নেয়।

মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জাকির হোসেন বলেন, আমাকে কেউ লাঞ্ছিত করেনি। বরং ছেলে পক্ষের লোকজন মেয়ে অভিভাবকের হাত ধরে ক্ষমা নিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠান চালাতে গেলে কতো ঘটনাই তো ঘটে থাকে।

গভর্নিং বডির সভাপতি বেলাল হোসেন বলেন, অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়েছে। তেমন কোনো বিষয় না।

অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শওকত কবির বলেন, এ ধরনের খবর পেয়ে মাদরাসায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা