kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৫ অক্টোবর ২০১৯। ৩০ আশ্বিন ১৪২৬। ১৫ সফর ১৪৪১       

বাবা-মাকে নির্যাতন, যুবকের দুই বছর সাজা

কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি   

২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ২২:২৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাবা-মাকে নির্যাতন, যুবকের দুই বছর সাজা

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় বাবা-মাকে অব্যাহতভাবে মারধর ও জ্বালাতন করার দায়ে শফিকুল ইসলাম (২৪) নামে এক যুবককে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। নির্বাহী হাকিম ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আল-ইমরান রুহুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে তাকে এ সাজা দেন। দণ্ডিত শফিকুলকে আজ শুক্রবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সে পৌরসভার শান্তিবাগ এলাকার রতন মিয়ার ছেলে।

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, অভিযুক্ত শফিকুল ইসলাম শান্তিবাগ এলাকার একজন চিহ্নিত অপরাধী। তার বিরুদ্ধে যৌতুক ও নারী নির্যাতনসহ বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে। তা ছাড়া তুচ্ছ ঘটনায় বাবা-মাকে মারধর করাসহ বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুরও চালাত সে। এ অবস্থায় অবাধ্য শফিকুলের অত্যাচার-নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে পরিবারের লোকজন তাকে ৪০ দিনের তাবলিগে (চিল্লা) পাঠায়। কিন্তু চিল্লা শেষ না করেই তাবলিগ থেকে পালিয়ে বাড়িতে চলে আসে শফিকুল। এরপর বাড়িতে এসেই বাবার কাছে ১০ হাজার টাকা দাবি করে। কিন্তু টাকা না পেয়ে সে তার মা-বাবাকে লাঠি দিয়ে নির্মমভাবে আঘাত করাসহ মারধরও করে। তা ছাড়া বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুরও চালায়। 

একপর্যায়ে অভিযোগ পেয়ে পেয়ে থানা পুলিশ তাকে আটক করে। সেই সঙ্গে নির্বাহী হাকিম ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আল-ইমরান রুহুল ইসলামও বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে ঘটনাস্থল শফিকুলদের বাড়িতে গিয়ে হাজির হন। এ সময় নির্বাহী হাকিম আল-ইমরান রুহুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে অভিযোগের সত্যতা মেলে এবং অভিযুক্ত শফিকুল ইসলামও নিজের দোষ স্বীকার করেন। তা ছাড়া অভিভাবকসহ পরিবারের লোকজনও অবাধ্য শফিকুলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। এরই প্রেক্ষিতে আদালতের বিচারক আল-ইমরান রুহুল ইসলাম অপরাধের মাত্রা এবং সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে অভিযুক্ত শফিকুল ইসলামকে দণ্ডবিধির ৩৫৫ ধারায় দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাশেদুজ্জামান জানান, দণ্ডিত শফিকুলকে শুক্রবার নেত্রকোনা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা