kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ১৭ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৭ সফর ১৪৪১       

নিখোঁজ বালু ব্যবসায়ীর বস্তাবন্দি লাশ মিলল

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি   

২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ২০:৪২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নিখোঁজ বালু ব্যবসায়ীর বস্তাবন্দি লাশ মিলল

নারায়ণগঞ্জে বন্দরে নিখোঁজের ২ দিন পর খোকন (৩৫) নামে এক বালু ব্যবসায়ীর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে বন্দর থানার চাপাতলী পিঠাউলনির ব্রিজের নিচ থেকে বস্তাবন্দি ও ভাসমান অবস্থায় ওই লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত বালু ব্যবসায়ী খোকন মিয়া কুঁড়িপাড়া এলাকার সালাউদ্দিন সালু মাদবরের ছেলে।

হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে আল আমিন নাম একজনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃত আল আমিন পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছেন। ওই সময় গ্রেপ্তারকৃত আল আমিনের স্বীকারোক্তি মোতাবেক হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা হাতুড়ি ও ব্যবসায়ী খোকনের মোবাইল সেট এবং নগদ টাকা উদ্ধার করে পুলিশ।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন ২৭ নম্বর ওয়ার্ড কুঁড়িপাড়া এলাকার সালাউদ্দিন সালু মাদবরের ছেলে খোকনের সঙ্গে একই এলাকার আওলাদ হোসেনের ছেলে আল আমিনের ব্যবসায়িক পাওনা-দেনা নিয়ে বিরোধ চলছিল। পূর্ব বিরোধের জের ধরে গত বুধবার আল আমিন ও তার সহযোগীরা বালু ব্যবসায়ী খোকনকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে। পরে লাশ বস্তায় ভরে চাপাতলী ব্রিজের নিচে খালে ফেলে দেয়। দুই দিন পর আজ শুক্রবার দুপুরে বস্তাবন্দি লাশ ভেসে ওঠে। ওই সময় এলাকাবাসী থানা পুলিশকে সংবাদ দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভাসমান বস্তাবন্দি অবস্থায় নিখোঁজ বালু ব্যবাসায়ীর লাশ উদ্ধার করে।

এলাকাবাসী ও নিহতের পরিবার মৃতদেহ শনাক্ত করে। পুলিশ নিহতের লাশ করে মর্গে প্রেরণ করে। এ ঘটনায় আল আমিনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃত আল আমিন জনসমক্ষে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছেন। 

বন্দর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ব্যবসায়িক বিরোধের জের ধরে বালু ব্যবসায়ী খোকনকে খুন করে আল আমিন। সে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে স্বীকার করেছে। হত্যাকাণ্ডের  আরো কয়েকজন জড়িত রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সময় ৭০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে যায় আল আমিন। ছিনিয়ে নেওয়া টাকার মধ্যে ৩০ হাজার ৫ শ টাকা ও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা হাতুড়ি উদ্ধার করা হয়। মামলা তদন্তের স্বার্থে অন্য আসামিদের নাম প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা