kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ১৭ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৭ সফর ১৪৪১       

ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তার ভাঙন পরিদর্শনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি   

২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৯:১৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তার ভাঙন পরিদর্শনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

কুড়িগ্রামের উলিপুরে ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তার নদীর অব্যাহত ভাঙনে গত ৫ দিনের ব্যবধানে প্রায় শতাধিক ঘর-বাড়ি নদীগর্ভে চলে গেছে। এ পরিস্থিতিতে ভাঙনকবলিত এলাকার মানুষজন তাদের ঘরবাড়ি অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন। ফলে এসব পরিবারগুলো সর্বস্ব হারিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। 

আজ শুক্রবার পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনকবলিত হাতিয়া ইউনিয়নের দাঁগার কুঠি, নয়াদাড়া, পালের ভিটা নামক স্থান পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রতিমন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের উদ্দেশে বলেন, দ্রুত ভাঙনরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। যাতে আর একজন মানুষকেও নদীভাঙনের শিকার হয়ে ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হতে না হয়। সরকার ব্রহ্মপূত্র ও তিস্তা নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে। এর আগে সকালে উপজেলা তিস্তা নদীর ভাঙনকবলিত গুনাইগাছ ইউনিয়নের নাগড়াকুড়া টি-বাঁধ এলাকা পরিদর্শন করেন।

পরে দুপুরে স্পিডবোডযোগে চিলমারীর রমনা এলাকা পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী নৌপথে গাইবান্ধা জেলার উদ্দেশে যাত্রা করেন।

গত কয়েকদিনের ব্যবধানে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনে উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের নয়াদাড়া, দাঁগার কুঠি ও পালের ভিটা গ্রামের প্রায় ৭০টি পরিবারের বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

অপরদিকে, তিস্তা নদির পানি হঠাৎ করে বৃদ্ধি পেলে উপজেলার বজরা ইউনিয়নের চর বজরাপূর্ব পাড়া গ্রামের ১৫টি পরিবারের বাড়িঘর, থেতরাই ইউনিয়নের হোকডাঙ্গা ডাক্তার পাড়া, পাকার মাথা গ্রামের প্রায় অর্ধশতাধিক পরিবারের ঘরবাড়ি নদীগর্ভে চলে গেছে। এ ছাড়াও দলদলিয়া ইউনিয়নের মহাদেব সরদারপাড়া গ্রামের প্রায় ১৫ একর আবাদি জমি নদীতে বিলীন হয়েছে।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা