kalerkantho

বুধবার । ২৩ অক্টোবর ২০১৯। ৭ কাতির্ক ১৪২৬। ২৩ সফর ১৪৪১                 

পীরগঞ্জে ওয়াশ ব্লকের কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি   

২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১১:১৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পীরগঞ্জে ওয়াশ ব্লকের কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ

১০ মিলিমিটারের পরিবর্তে ছয় মিলিমিটার রড দেয়া হয়েছে। কলামে রড বাইন্ডিংয়ে রিং কম দেয়া হয়েছে। বালু ও খোয়ার সঙ্গে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে কম সিমেন্ট মেশানো হয়েছে। ইটগুলো মাটির মতো খসে পড়ছে। এমনই অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে পাঁচটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ওয়াশ ব্লক নির্মাণ কাজে। এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেছেন কয়েকটি বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। 

তারা জানান, দুটি বিদ্যালয়ে ওয়াশ ব্লক নির্মাণ শেষ হয়েছে। কিন্তু তাতে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছে। নিয়ামতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওয়াশ ব্লকে একটি কলাম বাঁকা করে ওঠানো হয়েছে। জসাইপাড়ায় যে মাপের কলাম দেয়ার কথা তার চেয়ে কম মাপের দেয়া হয়েছে। সেপটিক ট্যাংকের দৈর্ঘ্য-প্রস্থ ঠিক নেই। 

পীরগঞ্জ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, উপজেলার জসাইপাড়া, নিয়ামতপুর, কিং দলপতিপুর, ঘুঘুয়া এবং দলপতিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৭২ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি করে দ্বিতল ওয়াশ ব্লক নির্মাণ করা হচ্ছে। জসাইপাড়া ও নিয়ামতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ওয়াশ ব্লকের ছাদ নির্মাণ শেষে দেয়াল গাঁথুনি চলছে। ঘুঘুয়া ও কিং দলপতিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ব্যাচ ঢালাই চলছে। দলপতিপুর বিদ্যালয়ের ওয়াশ ব্লক নির্মাণ কাজ পরে শুরু হবে। নিয়ামতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লুৎফা বেগম বলেন, ওয়াশ ব্লক নির্মাণে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া সিমেন্ট কম দেওয়া, পিলার বাঁকা করে ওঠানোসহ বিভিন্ন অসঙ্গতি বারবার ইঞ্জিনিয়ার ও ঠিকাদারকে ধরিয়ে দিয়েছি। কিন্তু তারা কোনো ব্যবস্থা নেননি। 

ঠিকাদার ফিরোজ আলম বলেন, অভিযোগ পেয়ে নিয়ামতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওয়াশ ব্লকের দেয়াল থেকে কিছু ইট খুলে ফেলেছি। বাকিগুলো মিস্ত্রীদের খুলতে বলেছি। আর কোনো সমস্যা নেই। 

উপজেলা সহকারি শিক্ষা অফিসার নির্মল কুমার গোম্বামী বলেন, শিক্ষকদের কাছ থেকে ওয়াশ ব্লক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে। আশা করি দ্রুত সমাধান করা হবে। 

উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের কর্মকতা মেহেদি হাসান বলেন, ঠিকাদারকে নিয়ে নিয়ামতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়েছি। কিছু খারাপ ইট ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া মিস্ত্রির অদক্ষতার কারণে কিছু ত্রুটি দেখা দিয়েছে। সব সমস্যা সমাধান করা হচ্ছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা