kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ১৭ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৭ সফর ১৪৪১       

গোপনে একে একে ছয় বিয়ে, স্বামীর বিরুদ্ধে ৬ষ্ঠ স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি   

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ২২:০২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গোপনে একে একে ছয় বিয়ে, স্বামীর বিরুদ্ধে ৬ষ্ঠ স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

বরগুনার পাথরঘাটায় স্কুলশিক্ষক স্বামীকে 'চরিত্রহীন' আখ্যা দিয়ে পাথরঘাটা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তার ৬ষ্ঠ স্ত্রী মোসাম্মত রনী বেগম। শিক্ষক মো. ফরিদ আলম চরদুয়ানী ইউনিয়নের মঠেরখাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। রনী একই ইউনিয়নের দক্ষিণ জ্ঞানপাড়া গ্রামের মো. মজিবর রহমান সিকিুর বড় মেয়ে।

সংবাদ সম্মেলনে মোসাম্মত রনী বেগম জানান, তিনি মঠোরখাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. ফরিদ আলমের বিবাহিত স্ত্রী। ২০১৩ সালে ইসলামী বিধান মোতাবেক তাদের বিবাহ হয়।

তিনি নিজেকে তার ৬ষ্ঠ স্ত্রী দাবি করে বলেন, ফরিদ তার পূর্বের স্ত্রীদের সাথে বিবাহ বিচ্ছেদের কথা বলায় তিনি তাকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর খোঁজ নিয়ে তিনি জানতে পারেন ফরিদ চরদুয়ানী ইউনিয়নের নাজমা বেগম, নাচনাপাড়া ইউনিয়নের মনিরা বেগম, বরগুনা সদর উপজেলার লাবনী ও লায়লা বেগম, পাথরঘাটা ইউনিয়নের রুমাকে বিয়ে করেন। এখন তিনিসহ লায়লা ও রুমার সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক আছে। তার ঘরে সাত বছরের মিথিলা নামে এক কন্যা আছে।

রনী বেগম বলেন, আমার স্বামী চরিত্রহীন। একারণে আমার ছোট বোনদের কুপ্রস্তাব দেন তিনি।  পুলিশকে মাদক ব্যবসা ও অনৈতিক কাজের কথা বলে মিথ্যা তথ্য দিয়ে হয়রানি করে। সংবাদ সম্মেলনে রনীর মা বকুল বেগম ও কন্যা মিথিলা উপস্থিত ছিলেন।

এ ব্যাপারে মো. ফরিদুল আলম কালের কণ্ঠকে জানান, রনী বেগম ছাড়া তার কোনো স্ত্রী নেই। মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে তার স্ত্রী ও শ্বশুর। জমি বিক্রি করার কথা বলে ৮ লাখ টাকা নিয়ে জমি বা টাকা ফেরত না দেওয়ায় তাদের মধ্যে এ কলহ সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি স্ত্রী রনীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ করেন এবং শ্বশুরকে একজন চিহ্নিত অপরাধী বলেন। তিনি বলেন, ধর্ষণ, মাদক ও হরিণ চুরিসহ বন আইনে তার বিরুদ্ধে ৮ টি মামলা চলমান।

ফরিদ আলম আরো জানান, স্ত্রী ও শ্বশুরের মামলা তদন্ত করতে গিয়ে পাথরঘাটা থানার এক উপপরিদর্শককে ফাঁদে ফেলে বিয়ে করতে বাধ্য করে সে। পুলিশ কর্মকতা তাকে ফেলে পালিয়েছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পাথরঘাটা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির এক নেতা বলেন, ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে একাধিক বিয়ের অভিযোগ আছে। মামলা হওয়ায় একবার তিনি হাজত বাসও করেছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা