kalerkantho

সোমবার । ১৪ অক্টোবর ২০১৯। ২৯ আশ্বিন ১৪২৬। ১৪ সফর ১৪৪১       

ওসি কোপানো মুসার ভগ্নিপতি গ্রেপ্তার, রিমান্ড চাইবে পুলিশ

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৮:৪৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ওসি কোপানো মুসার ভগ্নিপতি গ্রেপ্তার, রিমান্ড চাইবে পুলিশ

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ও উপপরিদর্শককে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় শীর্ষ সন্ত্রাসী ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি শাহ সোহান আহমেদ মুসার মা-বোনের পর এবার গ্রেপ্তার করা হয়েছে তার ভগ্নিপতি কামাল হোসেন (৩৯) কে। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। এর আগে বুধবার রাতে উপজেলার চরগাঁও গ্রাম থেকে কামাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে ওই গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে এবং সন্ত্রাসী মুসার অন্যতম সহযোগী।

নবীগঞ্জ থানার ওসি ইকবাল হোসেন জানান, দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় দায়ের করা মামলার অন্যতম আসামি কামাল। তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ছাড়াও তার বিরুদ্ধে ৭ দিনের রিমান্ড প্রার্থনা করা হবে। এর আগে গ্রেপ্তারকৃত মুসার মা সামছুন্নাহার (৫০), বোন মৌসুমী আক্তার (২৬), শাম্মী আক্তার (২২) ও তন্নী আক্তার (১৯) এর বিরুদ্ধে ৭ দিনের রিমান্ড প্রার্থনা করা হয়েছে। এ ছাড়া সন্ত্রাসী মুসাকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।

একটি সূত্র জানায়, মুসার অপরাধ কর্মকাণ্ডের সাথে ওতপ্রতোভাবে জড়িত ছিল কামাল আহমেদ। বিভিন্ন সময় আত্মগোপনে থাকতে মুসার অন্যতম সহায়তাকারী ছিল সে।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় পৌর এলাকায় তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি শাহ সোহান আহমেদ মুসাকে ধরতে শহরের সালামতপুর এলাকায় ব্র্যাক অফিসের কাছে তার দোকান অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় পরিদর্শক (তদন্ত) উত্তম কুমার এবং উপপরিদর্শক (এসআই) ফখরুজ্জামানকে কুপিয়ে পালিয়ে যায় সে। পরবর্তীতে ওসি উত্তম কুমারকে সিলেটে এবং এসআই ফখরুজ্জামানকে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

ঘটনার পরদিন নবীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফিরোজ আহমেদ ১৫ জনকে আসামি করে নবীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে মুসার মুসার মা সামছুন্নাহার (৫০), বোন মৌসুমী আক্তার (২৬), শাম্মী আক্তার (২২) ও তন্নী আক্তার (১৯) কে গ্রেপ্তারের পর কারাগারে প্রেরণ করে পুলিশ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা